✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

হারানো প্রেমের টানে ৮৬ বছরের ফরাসি নারী যুক্তরাষ্ট্রে, অতঃপর...

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-৩০, | ১৯:৩০:২৮ |
হারানো প্রেমের টানে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন ৮৬ বছর বয়সি ফরাসি নারী মারি তেরেস। কিন্তু অবৈধভাবে বসবাস করার কারণে চলতি এপ্রিলের শুরুতে আলাবামা অঙ্গরাজ্যের অ্যানিস্টন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কেন্দ্রে বন্দী রয়েছেন।

ঘটনাটি ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ফ্রান্সের নান্তেস শহরের বাসিন্দা মারি-তেরেজ গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে যান। তার ছেলে অভিযোগ করেছেন, তাকে অপরাধীর মতো হাত-পা বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, মারি তেরেজ ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ৯০ দিনের ভিসার সময়সীমা অতিক্রম করেছিলেন। তবে তার পরিবারের দাবি, তিনি তখন গ্রিন কার্ড পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

মারি তেরেজের জীবনের গল্পটি বেশ রোমাঞ্চকর। ১৯৬০ এর দশকে মার্কিন সেনা বিলির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ১৯৬৬ সালে তারা আলাদা হয়ে নিজ নিজ পরিবার গড়েন। ২০১০ সালে আবার তাদের যোগাযোগ হয় এবং ২০২২ সালে নতুন করে সম্পর্ক শুরু করেন।

গত বছর তারা বিয়ে করেন এবং মারি তেরেজ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে হঠাৎ তার স্বামীর মৃত্যু হলে গ্রিন কার্ড না পাওয়ার অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এরপর স্বামীর পরিবারের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় বলে জানা গেছে। মামলার শুনানির আগের দিনই তাকে আটক করা হয়।

বর্তমানে তিনি লুইজিয়ানার একটি আটক কেন্দ্রে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয় বলে জানিয়েছেন তার ছেলে। পরিবারের দাবি, দ্রুত তাকে মুক্ত করে ফ্রান্সে ফিরিয়ে নেওয়া হোক।

সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..