সর্বশেষ :
এবার নিজস্ব প্রযুক্তিতে শক্তিশালী ড্রোন বানাল নাইজেরিয়া বাড়ছে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা চায় লেবানন ইরান যুদ্ধ : ২০২২ সালের পর তেলের সর্বোচ্চ দাম দেখছে এশিয়া ইরানকে টলাতে ‘মোয়িং দ্য গ্রাস’ কৌশল নেবে যুক্তরাষ্ট্র? রাশিয়ার ট্যাংককে বিশ্বসেরা ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িকীর জার্মানিতে মার্কিন সেনা কমানোর পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প ‘তাইওয়ান স্বাধীনতা’ কী, দেশটি কি সত্যিই স্বাধীন রাষ্ট্র? যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইসরায়েলে একদিনে এলো ৬ হাজার ৫০০ টন সামরিক সরঞ্জাম জরিপের ফল উড়িয়ে মমতা বললেন, রেকর্ড জয়ের পথে তৃণমূল শ্রমজীবীরাই দেশের প্রধান চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী

হারানো প্রেমের টানে ৮৬ বছরের ফরাসি নারী যুক্তরাষ্ট্রে, অতঃপর...

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-৩০, | ১৯:৩০:২৮ |
হারানো প্রেমের টানে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন ৮৬ বছর বয়সি ফরাসি নারী মারি তেরেস। কিন্তু অবৈধভাবে বসবাস করার কারণে চলতি এপ্রিলের শুরুতে আলাবামা অঙ্গরাজ্যের অ্যানিস্টন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কেন্দ্রে বন্দী রয়েছেন।

ঘটনাটি ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

ফ্রান্সের নান্তেস শহরের বাসিন্দা মারি-তেরেজ গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে যান। তার ছেলে অভিযোগ করেছেন, তাকে অপরাধীর মতো হাত-পা বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, মারি তেরেজ ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ৯০ দিনের ভিসার সময়সীমা অতিক্রম করেছিলেন। তবে তার পরিবারের দাবি, তিনি তখন গ্রিন কার্ড পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন।

মারি তেরেজের জীবনের গল্পটি বেশ রোমাঞ্চকর। ১৯৬০ এর দশকে মার্কিন সেনা বিলির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ১৯৬৬ সালে তারা আলাদা হয়ে নিজ নিজ পরিবার গড়েন। ২০১০ সালে আবার তাদের যোগাযোগ হয় এবং ২০২২ সালে নতুন করে সম্পর্ক শুরু করেন।

গত বছর তারা বিয়ে করেন এবং মারি তেরেজ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারিতে হঠাৎ তার স্বামীর মৃত্যু হলে গ্রিন কার্ড না পাওয়ার অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

এরপর স্বামীর পরিবারের সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় বলে জানা গেছে। মামলার শুনানির আগের দিনই তাকে আটক করা হয়।

বর্তমানে তিনি লুইজিয়ানার একটি আটক কেন্দ্রে আছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয় বলে জানিয়েছেন তার ছেলে। পরিবারের দাবি, দ্রুত তাকে মুক্ত করে ফ্রান্সে ফিরিয়ে নেওয়া হোক।

সূত্র: বিবিসি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..