যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবারও সরাসরি আলোচনার টেবিলে ফেরার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ চেয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। তবে তিনি একই সঙ্গে কড়া বার্তা দিয়েছেন, ইসরায়েলকে অবশ্যই পূর্ণ যুদ্ধবিরতি মেনে চলতে হবে, এর আগে কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়।
এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, আটকে থাকা শান্তি আলোচনা আদৌ এগোতে পারবে কি না।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, প্রায় তিন সপ্তাহ আগে লেবাননে প্রথম যুদ্ধবিরতির দাবি তোলে হিজবুল্লাহ। কিন্তু সেই আহ্বানের পরও ইসরায়েলি বিমান হামলা থেমে থাকেনি। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহও হামলা জোরদার করে।
এর এক সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপের মুখে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দেয়। কিন্তু বাস্তবে যুদ্ধ থামেনি।
বরং লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলা আরো বেড়েছে, আর হিজবুল্লাহও পাল্টা হামলা বাড়িয়েছে।
লেবানন সরকার, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র- তিন পক্ষই চেষ্টা করছে যাতে এই আলোচনা ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা কূটনৈতিক আলোচনার সঙ্গে মিশে না যায়।
তবে পরিস্থিতি যেভাবে দ্রুত উত্তপ্ত হচ্ছে, তাতে বিশ্লেষকদের ধারণা- এটি থামানোর একমাত্র উপায় হতে পারে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইসরায়েলের ওপর আরো বেশি চাপ প্রয়োগ করা।
এ জাতীয় আরো খবর..