মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে টালমাটাল বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার।
তবে চরম অস্থিরতার মধ্যেও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রযুক্তি বা ‘ক্লিন টেকনোলজি’ খাতে নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করছে চীন। বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য শক্তির খোঁজ চলছে। সে সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে বেইজিং। খবর জাপান টাইমস।
উল্লেখ্য, ক্লিন টেকনোলজি বা সংক্ষেপে ‘ক্লিন টেক’ হলো এমন সব প্রযুক্তি, প্রক্রিয়া বা পরিষেবা, যা প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার কমিয়ে ও পরিবেশগত ক্ষতি বা দূষণ হ্রাস করে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ক্লিন টেক মূলত জীবাশ্ম জ্বালানির (তেল, গ্যাস, কয়লা) ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে এশিয়ার দেশগুলো। কারণ এ রুটের অধিকাংশ তেল ও গ্যাস ছিল এশিয়ামুখী। বর্তমানে এশিয়ার দেশগুলো একদিকে যেমন জ্বালানি সংরক্ষণে হিমশিম খাচ্ছে, অন্যদিকে তেলের মজুদ ফুরিয়ে আসায় বাড়ছে উদ্বেগ।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের বিদ্যুচ্চালিত যান (ইভি) উৎপাদনের ৭০ ও ব্যাটারি সেল উৎপাদনের প্রায় ৮৫ শতাংশই চীনের নিয়ন্ত্রণে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত দেশটির বর্তমান পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এ খাতগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। ফলে বিওয়াইডি ও সিএটিএলের মতো চীনা শিল্পগোষ্ঠী বর্তমান সংকটে বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান আরো শক্তিশালী করার সুযোগ পাচ্ছে।
এমনকি গত ডিসেম্বরে চীন থেকে সোলার প্যানেল, ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক গাড়ির রফতানি রেকর্ড ২ হাজার ২৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেশি।
এ জাতীয় আরো খবর..