বিশ্ববাজারে রাবারের সরবরাহ বৃদ্ধি ও চীনে চাহিদার পূর্বাভাস কমায় আন্তর্জাতিক বাজারে জাপানি রাবারের দাম কমেছে।
গত শুক্রবার দিন শেষে টানা দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয়েছে এ পণ্যের লেনদেন। মূলত পশ্চিম আফ্রিকা ও চীনের অনুকূল আবহাওয়া এবং আইভরি কোস্ট থেকে রেকর্ড রফতানি এ দরপতনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
ওসাকা এক্সচেঞ্জে সেপ্টেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে রাবারের দাম ৩ দশমিক ১ ইয়েন বা ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছে। বর্তমানে কেজিপ্রতি রাবারের দাম দাঁড়িয়েছে ৩৮৭ দশমিক ৫ ইয়েন (প্রায় ২ ডলার ৪৩ সেন্ট)। সপ্তাহজুড়ে এ বাজারে রাবারের দাম মোট দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে।
অন্যদিকে চীনের সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে সেপ্টেম্বরে সরবরাহ চুক্তিতে রাবারের দাম ২০০ ইউয়ান বা ১ দশমিক ১৯ শতাংশ কমেছে। মে মাসের জন্য বুটাডিন রাবারের চুক্তিমূল্যও ১ দশমিক ৫১ শতাংশ কমে বর্তমানে ১৫ হাজার ৯৫০ ইউয়ানে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি চীনের রাবার উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোয় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় দীর্ঘদিনের খরা পরিস্থিতির অবসান হয়েছে। এতে করে রাবার গাছ থেকে কষ আহরণ বা ট্যাপিং প্রক্রিয়ায় বাধার আশঙ্কা কেটে গেছে বলে জানিয়েছে চীনা ব্রোকার প্রতিষ্ঠান হুয়াতাই ফিউচারস।
এদিকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্টের রাবার রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। কিংদাও ইন্টারন্যাশনাল রাবার এক্সচেঞ্জ মার্কেটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) দেশটি গত বছরের তুলনায় ১ দশমিক ১ শতাংশ বেশি রাবার রফতানি করেছে।
শিল্প বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০২৬ সাল শেষ নাগাদ ইন্দোনেশিয়াকে টপকে আইভরি কোস্ট বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাবার উৎপাদনকারী দেশে পরিণত হবে।
সাধারণত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রাবার উৎপাদনের ‘অফ-সিজন’ থাকলেও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর মূল সংগ্রহের মৌসুম চলে।
এ জাতীয় আরো খবর..