সর্বশেষ :
এসএসসি পরীক্ষা শুরু মঙ্গলবার, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব নির্দেশনা ২০২৫-২৬ বিপণন মৌসুমে ভারতে চিনি উৎপাদন বেড়েছে ৮ শতাংশ সংসদের কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি, বিল পরিশোধ স্থগিত যে কারণে ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন রোজিনা ইরান যুদ্ধে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে কোটি মানুষ ডিজিটাল অবকাঠামোয় সাইবার হামলার গতি বাড়ছে টাইটানিকের যাত্রীর লাইফ ৬ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা পাবেন সাড়ে ১৩ কোটি ডলার যুদ্ধের অর্থনৈতিক আঘাত সবচেয়ে বেশি ভোগাবে দরিদ্র দেশগুলোকে বিশ্বজুড়ে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ইভি বিক্রি কমেছে ৩ শতাংশ

দিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার সুযোগে বিস্মিত সরকার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-২৫, | ১৭:২৮:২৫ |
মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত, পলাতক সা‌বেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের দিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সরকার বল‌ছে, শেখ হাসিনার বক্ত‌ব্যে অন্তর্বর্তী সরকারের পতন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি দেওয়া হ‌য়ে‌ছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃ‌তি‌তে দিল্লিতে শেখ হা‌সিনার প্রকাশ্য বক্ত‌ব্যের বি‌রোধিতা করে‌ছে সরকার।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং তার দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচনকে ভন্ডুল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর আহ্বান জানান। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এ ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বল‌ছে, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। উল্টো নিজ ভূখণ্ডে তাকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি। এটি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচন দিবসে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..