সর্বশেষ :

সংসদের কেনাকাটায় অনিয়ম তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি, বিল পরিশোধ স্থগিত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২০, | ১৪:১৮:২৫ |
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কেনাকাটার কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না বলে সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. মনির হোসেন স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ শিরোনামে প্রকাশিত ও প্রচারিত প্রতিবেদনে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ক্রয়কার্য সম্পর্কে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে; যা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

ওই সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে অচিরেই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত ওই ক্রয়সংক্রান্ত কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গতকাল রবিবার পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইনে সংসদের কেনাকাটায় অনিয়ম সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাজারদরের তুলনায় ‘কয়েক গুণ বেশি’ দামে ক্যামেরা, লেন্স, মেমোরি কার্ড, ব্যাটারি, ফ্ল্যাশ ও অন্যান্য সরঞ্জাম কেনা হয়েছে।

৫৮ লাখ ৪৪ হাজার ১৩০ টাকার যে সেট কেনা হয়েছে, তার প্রকৃত বাজারমূল্য ২০ লাখ টাকার কম। এ কেনাকাটার দরপত্রে এক ব্র্যান্ডের কথা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে অন্য ব্র্যান্ডের পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহের কথা থাকলেও ‘১৯ দিনের মধ্যেই’ তা বুঝে নেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকার গঠনের পর সংসদ সচিবালয়ের এটাই প্রথম কেনাকাটা।

গত ১২ মার্চ চলতি ত্রয়োদশ সংসদের যাত্রা শুরু হয়। সরবরাহ প্রতিষ্ঠান ‘সেফ ট্রেডার্স’কে কার্যাদেশ দেওয়া হয় ২৫ মার্চ। আর মালামাল সরবরাহ করা হয় ১৫ এপ্রিল। ওই অনিয়মের সঙ্গে সংসদ সচিবালয়ের সাবেক সচিব কানিজ মাওলার জড়িত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ নিয়ে সংসদ অধিবেশনে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..