✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

বিশ্ববাজারে তেলের বড় দরপতন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৫-২৩, | ১১:২১:২৫ |

বিশ্ববাজারে বড় ধরনের ধাক্কা খেল অপরিশোধিত তেলের দাম। জুলাই থেকে ওপেক জোটের সম্ভাব্য উৎপাদন বৃদ্ধির খবর ছড়িয়ে পড়তেই বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এক লাফে ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত পড়ে যায়। খবর রয়টার্স ।

ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩.৮৬ ডলার, আর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৬০.৫৯ ডলার। দুই ধরনের তেলের মূল্যই একদিনে ১ ডলারের বেশি কমেছে, যা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় একদিনের দরপতন।

বিশ্লেষকদের মতে, দাম পতনের মূল কারণ ওপেকের একটি কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত। ব্লুমবার্গ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবসহ জোটের প্রধান সদস্যরা আগামী ১ জুনের বৈঠকে জুলাই থেকে দৈনিক ৪ লাখ ১১ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

বিশ্বব্যাপী তেলের চাহিদা যখন স্থবির, তখন এই বাড়তি সরবরাহ বাজারে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

অনিক্স ক্যাপিটাল গ্রুপের জ্বালানি বিশ্লেষক হ্যারি চিলিগুরিয়ান বলেন, ‘ওপেক এখন মূল্য ধরে রাখার লক্ষ্য নয়, বরং বাজারে শেয়ার ধরে রাখতে চাইছে। এটি কৌশলের বড় রকম পরিবর্তন।’

যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে দেশটিতে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানির মজুদ প্রত্যাশিত হ্রাসের বদলে বেড়েছে ১৩ লাখ ব্যারেল। বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, মজুদ কমবে। অথচ ইআইএ’র তথ্যে দেখা যায়, মজুদ দাঁড়িয়েছে ৪৪৩.২ মিলিয়ন ব্যারেলে।

এলএসইজি তেল গবেষণার বিশ্লেষক এমরিল জামিল বলেন, ‘এই মজুদ বৃদ্ধি ডব্লিউটিআই তেলের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি তেল রপ্তানি করতে পারে ইউরোপ ও এশিয়ার দিকে।’

বিশ্বের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো হয় অথচ চাহিদা না বাড়ে, তাহলে দাম আরও কমে যেতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, তেলের বাজার এখন সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। সামান্য নীতিগত পরিবর্তনও বড় প্রভাব ফেলছে দামে। সবকিছু নির্ভর করছে ১ জুনের ওপেকের বৈঠকের সিদ্ধান্তের ওপর।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..