নিখোঁজের চার দিন পর বাড়ির পাশের পুকুরের পানিতে মিলল প্রতিবন্ধী মফিজুল ইসলামের (৩৫) গলিত মরদেহ। বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে এ ঘটনা ঘটে। তিনি হরিনদিয়া ঝামাঘাটা পাড়ার মৃত মসলেম উদ্দিনের ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
প্রতিবেশী ইসমাইল হোসেন বলেন, মফিজুল ইসলাম ছিলেন প্রতিবন্ধী মৃগী রোগী। সে দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভুগছিলেন। গেল ১৭ তারিখ সকাল থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার সময় তার বাড়ির পাশের আসাদুল ইসলামের পুকুরে গলিত মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় তার মরদেহ দেখে চিৎকার দেন। পরে স্থানীয়রা এসে তার মরদেহ চিনতে পারেন। মফিজুল ইসলাম এক কন্যাসন্তানের জনক। তার শারীরিক অবস্থার কারণে স্ত্রী আগেই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
মেয়ে মাহফুজা খাতুন বলেন, চার দিন ধরে বাবাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এই কয়দিন ধরে আমরা অনেক জায়গায় আমার বাবার খোঁজ করেছি, কোথাও পাইনি। বৃহস্পতিবার সকালে গন্ধের কারণে পুকুরের পাশ দিয়ে কেউ চলাচল করতে পারছিল না। এ সময় পুকুরপাড়ের কাঠাল গাছের কাছে গিয়ে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন। তবে বিষয়টি নিয়ে থানায় জিডি করা হয়নি। মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল পুলিশকে।
কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, তিনি মৃগী রোগী ছিলেন। তার মরদেহ পাওয়া গেছে পুকুরের পানিতে। আমরা ডোমকে খবর দিয়েছি। ডোম মরদেহ উঠানোর পর দেখে হবে তার শরীরের আর কোথাও কোনো ক্ষত আছে কিনা। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..