দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন টু সিটার ইলেকট্রিক কনভার্টিবল মডেলের পর্দা উন্মোচন করেছে বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েস।
অত্যন্ত সীমিত পরিসরে তৈরি হতে যাওয়া গাড়িটির নাম দেয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট নাইটিঙ্গেল’। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে আভিজাত্যের মিশেলে তৈরি মডেলটি বিশ্বজুড়ে অটোমোবাইলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। বিএমডব্লিউর মালিকানাধীন ব্রিটিশ কোম্পানিটি জানায়, প্রজেক্ট নাইটিঙ্গেল সিরিজে মাত্র ১০০টি গাড়ি তৈরি করা হবে। প্রতিটি গাড়ি পশ্চিম যুক্তরাজ্যের সাসেক্সে রোলস-রয়েসের সদর দপ্তরে দক্ষ কারিগরদের হাতে নিখুঁতভাবে তৈরি হবে। কোম্পানিটির তথ্যমতে, ২০২৮ সাল থেকে ক্রেতাদের কাছে বিশেষ গাড়িটির সরবরাহ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। নতুন মডেলটি সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক হওয়ায় এতে কোনো যান্ত্রিক শব্দ থাকবে না।
প্রতিষ্ঠানটি একে ‘ভার্চুয়ালি নো মেকানিক্যাল নয়েজ’ বা প্রায় শব্দহীন যান্ত্রিক অভিজ্ঞতা হিসেবে অভিহিত করেছে। গাড়িটির নকশায় বিংশ শতাব্দীর ছোঁয়া রাখা হয়েছে। প্রজেক্ট নাইটিঙ্গেল আকারে বেশ দীর্ঘ। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ দশমিক ৭৬ মিটার। গাড়িটির সামনে রয়েছে দীর্ঘ একটি বনেট, যা একে ‘টরপেডো-আকৃতির’ রূপ দিয়েছে। নকশাটি মূলত ১৯২০-এর দশকের রোলস-রয়েসের পরীক্ষামূলক গাড়ি বা ‘ইএক্স’ মডেল এবং আর্ট ডেকো যুগের স্থাপত্যশৈলী থেকে অনুপ্রাণিত। রোলস-রয়েস মোটর কারসের প্রধান নির্বাহী ক্রিস ব্রাউনরিজ এ প্রজেক্ট সম্পর্কে বলেন, ‘বিশ্বের অন্যতম বিচক্ষণ গ্রাহকরা আমাদের কাছে সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী কাজের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। তাদের সে আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা গাড়িটি তৈরি করেছি।’
যদিও রোলস রয়েস সাধারণত গাড়ির নির্দিষ্ট মূল্য প্রকাশ্যে প্রকাশ করে না। তবে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রজেক্ট নাইটিঙ্গেলের দাম কোম্পানির ‘প্রাইভেট কমিশন’ ও ‘কোচবিল্ড’ পণ্যগুলোর মাঝামাঝি থাকবে। উল্লেখ্য, এ দুটি ক্যাটাগরির গাড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য যথাক্রমে ৫ লাখ ও ২ কোটি পাউন্ডের বেশি।
খবর বিবিসি
এ জাতীয় আরো খবর..