✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

ডেটা সেন্টারের চাহিদা মেটাতে পারমাণবিক বিদ্যুতে বিনিয়োগ টেক জায়ান্টদের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৮, | ১২:৫৮:২৭ |
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) এ যুগে ডেটা সেন্টারের জন্য ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এখন পারমাণবিক শক্তির দিকে ঝুঁকছে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো।

পরবর্তী প্রজন্মের পারমাণবিক প্রযুক্তি বা ‘স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর’ (এসএমআর) বিকাশে সম্প্রতি শতকোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে মেটা, অ্যামাজন ও গুগলের মতো টেক জায়ান্টরা। খবর রয়টার্স।

বর্তমানে বেশকিছু মার্কিন প্রতিষ্ঠান ছোট ও উন্নত মডুলার রিঅ্যাক্টর তৈরির কাজ করছে, যা প্রচলিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক। তবে উচ্চ নির্মাণ ব্যয় ও কারিগরি ঝুঁকির কারণে এতদিন এসব প্রকল্প বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারছিল না। এআই ডেটা সেন্টারের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার দৌড় এ খাতে এখন নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা গত জানুয়ারিতে দুটি ‘টেরাপাওয়ার’ (পাওয়ার প্লান্ট/প্রকল্প) ইউনিট তৈরিতে অর্থায়নের ঘোষণা দেয়। দুই ইউনিট মিলিয়ে প্রায় ৬৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এছাড়া ওহিওতে ১ দশমিক ২ গিগাওয়াটের একটি পারমাণবিক প্রযুক্তি ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে কোম্পানিটি ওকলোর সঙ্গে চুক্তি করেছে।

অন্যদিকে অ্যামাজন ২০৩৯ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ গিগাওয়াটের বেশি ক্ষুদ্র মডুলার রিঅ্যাক্টর চালু করতে এক্স-এনার্জির সঙ্গে কাজ করছে। পিছিয়ে নেই গুগলও; সার্চ জায়ান্টটি কাইরোস পাওয়ারের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে প্রথম ক্ষুদ্র পারমাণবিক চুল্লি চালু করা।

জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর হাতে প্রচুর অর্থ আছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বড় বিনিয়োগ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্যানুযায়ী, ডেটা সেন্টারের চাহিদার কারণে দেশটিতে বিদ্যুতের ব্যবহার চলতি বছর ১ শতাংশ ও আগামী বছর ৩ শতাংশ বাড়তে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..