✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৮, | ২০:৩৮:৩১ |ঢাকার পূর্ব বাড্ডা এলাকায় মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ'র ছাত্র নাসিম আহাম্মদ ইমাদ উদ্দিন হত্যা মামলায় তার বন্ধু আসিফ শিকদারের মৃত্যুদণ্ডের রায়ঘোষণা করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাওহীদা আক্তার এই রায় ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি তানজীল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আসিফ পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়— ২০১৭ সালের ৫ নভেম্বর রাত ৯ টার দিকে নাসিম পূর্ব বাড্ডা পোস্ট অফিস গলিস্থ জনৈক মনিরের ফ্লেক্সিলোডের দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় লোকজন দোকানে চেঁচামেচি করছিল। নাসিম তাদের চিৎকার, চেঁচামেচি থামাতে বলেন। সেখানে উপস্থিত রমজান নাসিমকে জানান, তারা টিভিতে খেলা দেখা নিয়ে বাজি ধরছে। নাসিম তাদের বাজি ধরতে এবং চিৎকার, চেঁচামেচি করতে নিষেধ করে। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপয়ায়ে রমজানকে থাপ্পড় মারে আসিফ। বিষয়টি নিয়ে আসিফের বাসায় যান রমজানরা। তারা তাদের হুমকি-ধামকি দিয়ে আসেন। আসিফ ফোন করে হুমকিো দেয় তারা।পরদিন সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বাজার করতে বের হন আসিফ। বাসার নিচে নামার পর আসিফ নাসিমকে ছুরিকাঘাত করে। নাসিম দৌড়ে বাসার নিচে গিয়ে পড়ে যায়। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় নাসিমের বাবা গ্রীন ডেল্টা ইন্সুরেন্স কোম্পানী লি. এর ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট আলী আহাম্মদ সাইফুদ্দিন ওইদিনই বাড্ডা থানায় আসিফ, রমজান, আব্দুর রশীদের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৩/৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত শেষে গুলশান জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুস সোবহান ২০১৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আসিফকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন । ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি আসিফের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।