পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরের শিরোপা জিতেছে পেশোয়ার জালমি। এই দলে থাকা বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাহিদ রানা ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষে আবার পাকিস্তানে ফিরে আসেন।
তার সেই সিদ্ধান্ত সফল হয়, কারণ ফাইনালে তিনি দারুণ বোলিং করেন—৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন এবং ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার এই পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ফাইনালের ‘সুপার পাওয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারও পান।
ফাইনালে অসাধারণ পারফরম্যান্স করেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার অ্যারন হার্ডি। তিনি বল হাতে ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে অপরাজিত ৫৬ রান করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন। তবে তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচ হননি; বরং এই স্বীকৃতি পান হার্ডির এই অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের কারণে।
পুরো আসরে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন পেশোয়ার জালমির স্পিনার সুফিয়ান মুকিম। ১১ ম্যাচে তিনি ২২ উইকেট নেন, গড় ছিল ১৪.৪০। সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ‘ফজল মাহমুদ ক্যাপ’ও জেতেন।
অন্যদিকে, পেশোয়ার জালমির অধিনায়ক বাবর আজম ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন। তিনি ১১ ইনিংসে ৫৮৮ রান করেন গড়ে ৭৩.৫০, যার ফলে তিনি আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন এবং ‘হানিফ মোহাম্মদ ক্যাপ’ ও সেরা ব্যাটারের পুরস্কার অর্জন করেন।
এছাড়া ফারহান ইউসুফ সেরা ফিল্ডার এবং কুশল মেন্ডিস সেরা উইকেটকিপারের পুরস্কার পান। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের অধিনায়ক শাদাব খান অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে (১৭ উইকেট ও ১৭৩ রান) সেরা অলরাউন্ডার নির্বাচিত হন।
উদীয়মান ক্রিকেটার হিসেবে স্বীকৃতি পান হায়দরাবাদ কিংসমেনের পেসার হুনাইন শাহ, যিনি ১৭ উইকেট নেন। টুর্নামেন্টে ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ পুরস্কার যায় হায়দরাবাদ কিংসমেনের ঝুলিতে, আর সেরা আম্পায়ার নির্বাচিত হন আসিফ ইয়াকুব।
এক নজরে পিএসএল ১১ আসরের পুরস্কারজয়ীরা
সেরা খেলোয়াড়: সুফিয়ান মুকিম
সেরা ব্যাটার: বাবর আজম
সেরা বোলার: সুফিয়ান মুকিম
সেরা অলরাউন্ডার: শাদাব খান
সেরা উইকেটকিপার: কুশল মেন্ডিস
সেরা ফিল্ডার: ফারহান ইউসুফ
উদীয়মান ক্রিকেটার: হুনাইন শাহ
হানিফ মোহাম্মদ ক্যাপ: বাবর আজম (৫৮৮ রান)
ফজল মাহমুদ ক্যাপ: সুফিয়ান মুকিম (২২ উইকেট)
স্পিরিট অব ক্রিকেট: হায়দরাবাদ কিংসম্যান
সেরা আম্পায়ার: আসিফ ইয়াকুব
সূত্র: জিও সুপার
এ জাতীয় আরো খবর..