সর্বশেষ :
একসঙ্গে প্রেমিক-প্রেমিকার বিষপান, প্রেমিকার মৃত্যু ইসরায়েলের ওপর বেজায় চটেছেন ব্রিটিশ এমপিরা! ২য় দফার আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকছেন না ভ্যান্স: ট্রাম্প সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনে সম্মত ভারত-রাশিয়া শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শত্রুর মোকাবিলা করবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান ইরানের হাতে যুদ্ধবিমান ধ্বংস, খবর শুনেই কয়েক ঘণ্টা চিৎকার করেছিলেন ট্রাম্প! ‘আর ভদ্রলোক থাকব না’, ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের দেশব্যাপী হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার ‘খারাপ লাগার অনুভূতি ক্যামেরার সামনে প্রকাশ করতে চাই না’ ইমেজ সেন্সর তৈরিতে সনিকে ৩৮ কোটি ডলার দিচ্ছে জাপান সরকার

প্রাথমিকে সংগীতের শিক্ষক নিয়োগ বন্ধের প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-১১-১০, | ১৪:৪২:০৬ |

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা সংশোধন করে জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন বেআইনি, অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

 

এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে রুলের‌ জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২৮ আগস্ট ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’র গেজেট জারি করা হয়। এতে ‘সহকারী শিক্ষক (সংগীত)’ ও ‘সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষ)’ নামে দুটি নতুন পদ সৃষ্টি করা হয়। এ নিয়ে ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন আপত্তি তোলে। তারা সংগীত শিক্ষকের পরিবর্তে ধর্ম শিক্ষকের পদ সৃষ্টির দাবিতে আন্দোলনে নামেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ নভেম্বর ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ সংশোধন করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাতে ‘সহকারী শিক্ষক (সংগীত)’ ও ‘সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষ)’ নামে নতুন সৃষ্ট পদ দুটি রাখা হয়নি। ফলে এ দুটি পদ বাতিল বলে বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

বিধিমালা সংশোধন করে জারিকৃত এ প্রজ্ঞাপনটি চ্যালেঞ্জ করে রিট পিটিশন দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। রিটে ‌শিক্ষা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানকে‌ বিবাদী করা হয়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..