সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

কোরআন-হাদিসে নারীর অধিকার ও সম্মান (বাংলায়)

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০১৯-১১-২৬, | ১১:২৬:২০ |


মুমিন পুরুষ এবং মুমিন নারী একে অপরের অভিভাবক (ওয়ালি), একে অপরের বন্ধু, একে অপরের সাহায্যকারী (সূরা তাওবা, আয়াত : ৭১)।

‘নারীদের (পুরুষদের উপর) তেমনি ন্যায়সঙ্গত অধিকার রয়েছে যেমনি রয়েছে নারীদের উপর পুরুষদের’ (সূরা আল বাকারা : ২২৮)।

‘তারা (স্ত্রীগণ) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীগণ) তাদের পোশাক স্বরূপ’ (সূরা আল-বাকারা :১৮৭)।

‘যা কিছু পুরুষরা অর্জন করবে, তা তাদেরই অংশ হবে; আবার নারীরা যা কিছু উপার্জন করবে, তাদেরই অংশ হবে।’ (সূরা নিসা: ৩২)।

‘তোমরা তাদের (নারীদের) সঙ্গে উত্তম আচরণ করো ও উত্তম আচরণ করার শিক্ষা দাও’ (সূরা-৪ নিসা, আয়াত: ১৯)।

‘তোমরা স্ত্রীদের সাথে সদ্ভাবে জীবনযাপন কর’ (সুরা নিসা:১৯)।

ইসলাম ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআন। কোরআনে ‘নিসা’ বা ‘মহিলা’ শব্দটি ৫৭ বার এবং ‘ইমরাআহ’ বা ‘নারী’ শব্দটি ২৬ বার উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ‘নিসা’ তথা ‘মহিলা’ শিরোনামে নারীর অধিকার ও কর্তব্যসংক্রান্ত একটি বড় সূরাও রয়েছে। কোরআনের অন্যান্য আয়াত এবং হাদীসেও নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা ও তাদের মূল্যায়ন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা দেয়া হয়েছে। যেমন-

“ঈমানদার অবস্থায় যে কেউ নেক আমল ও সৎকর্ম সম্পাদন করবে, সে পুরুষ হোক অথবা নারী, তাকে আমি অবশ্যই (দুনিয়ার বুকে) পবিত্র জীবন দান করব এবং পরকালের জীবনেও উক্ত নেক আমলের জন্য উত্তম বিনিময় দান করব” (সূরা আন-নাহল : ৯৭)।

মহানবী (স) ইরশাদ করেন : “যার তিনটি কন্যা সন্তান অথবা তিনটি বোন বা দুটি কন্যা বা দুটি বোন থাকবে, আর যদি সে তাদের প্রতি যত্নশীল হয় এবং তাদের হক সম্পর্কে আল্লাহকে ভয় করে, তার জন্য বেহেশত অনিবার্য।” (তিরমিযী ও আবু দাঊদ)। এছাড়াও তিনি বলেছেন :‘মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত।’

হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, আসমা নাম্নী এক মহিলার স্বামী একটি পুত্র সন্তান রেখে ইন্তেকাল করেন। তখন মহিলার দেবর তাকে বিবাহের জন্য মহিলার পিতার নিকট প্রস্তাব পেশ করে। মহিলাও এ লোকটির সাথে তাকে বিবাহ দেওয়ার জন্য তার পিতাকে অনুরোধ করে। কিন্তু পিতা এতে সম্মত না হয়ে তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অপর এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহ দেন। অতঃপর মহিলা মহানবী (স) এর নিকট আগমন করে ঘটনার বর্ণনা করেন। তিনি মহিলার পিতাকে ডেকে এনে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। লোকটি আরজ করলো, ঘটনা সত্য। তবে আমি তাকে তার দেবরের চেয়ে উত্তম ব্যক্তির নিকট বিবাহ দিয়েছি। (সবকিছু অবগত হয়ে) রাসূলুল্লাহ (স) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে মহিলার ইচ্ছানুযায়ী তার দেবরের সঙ্গে বিবাহ দেওয়ার জন্য তার পিতাকে নির্দেশ প্রদান করেন। (মুসনাদে ইমাম আযম আবু হানীফা, হাদিস নং ২৬৭)।

রাসূলুল্লাহ (স) ইরশাদ করেছেন : ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম।’ (তিরমিযী)।

মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘কারও যদি কন্যাসন্তান ও পুত্রসন্তান থাকে আর তিনি যদি সন্তানদের জন্য কোনো কিছু নিয়ে আসেন, তবে প্রথমে তা মেয়ের হাতে দেবেন এবং মেয়ে বেছে নিয়ে তারপর তার ভাইকে দেবে।’

মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যারা বিধবা নারীর ভরণ–পোষণের দায়িত্ব নেয়, তারা যেন আল্লাহর পথে জিহাদকারী এবং নিরলস নামাজি ও সদা রোজা পালনকারী (বুখারি ও মুসলিম)।

তিনটি বিষয় নবী করিম (সা.)-এর জীবনে লক্ষণীয় ছিল—এক. নামাজের প্রতি অনুরাগ; দুই. ফুলের প্রতি ভালোবাসা; তিন. নারীর প্রতি সম্মান। (বুখারি ও মুসলিম)।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..