✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৭, | ২০:৫৫:০১ |সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি এই আঞ্চলিক সংস্থাকে ফের কার্যকর করতে ধারাবাহিক রাজনৈতিক উদ্যোগ, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং বিস্তৃত অংশীদারিত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বিদায়ী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে শামা ওবায়েদ এসব কথা বলেন।
সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে চায় বলেও জানান শামা ওবায়েদ। উভয়পক্ষ সার্ক প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে নতুন করে রাজনৈতিক মনোযোগ দেওয়া এবং প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন।
গোলাম সারোয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে সার্কের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানান। একই সাথে আঞ্চলিক এই সংস্থার মুখোমুখি হওয়া বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ উত্তরণে নানা উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন। তিনি উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তায় সার্কের নিয়মিত কার্যক্রম ও কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
সার্কের বিদায়ী মহাসচিব পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে জানান, ২০২৬ সালের শেষের দিকে ‘সার্ক ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট’ প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সার্কে গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন শামা ওবায়েদ। তার মেয়াদের অর্জিত গতি পরবর্তী মহাসচিবের আমলেও বজায় থাকবে বলে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন। সার্ক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।
দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ সাধন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে কাঠমাণ্ডুতে সদর দফতর স্থাপন করে সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে আট সদস্যের এই আঞ্চলিক ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে চরম স্থবিরতার মধ্যে রয়েছে।