✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৩, | ২২:২১:২৬ |নাপোলি ছেড়ে তুরস্কের জায়ান্ট ফেনারবাচে যোগ দিয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী বেলজিয়ান স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু। ইনজুরির কারণে গত মৌসুমটি তার মোটেও ভালো কাটেনি; সিরি ‘এ’-র ক্লাবটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মাত্র সাতটি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।
বেলজিয়ামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক লুকাকু এর মাধ্যমে আবারও তুরস্কে ফিরলেন। ১৯৯৬-১৯৯৭ মৌসুমে শৈশবে তিনি তুরস্কে ছিলেন, যখন তার বাবা রজার লুকাকু দেশটির সুপার লিগের ক্লাব গেঞ্চলারবির্লিগির হয়ে পেশাদার ফুটবল খেলতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেনারবাচের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে প্রচারিত এক ভিডিওতে আবেগঘন কণ্ঠে লুকাকু বলেন, ‘আপনাদের ক্লাবে যোগ দেওয়া আমার জন্য এক দারুণ সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয়। আমি সম্পূর্ণ ফিট এবং মাঠে নামতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
অনেক বছর পর আবারও তুরস্কে ফিরতে পেরে এটি আমার জন্য অত্যন্ত আবেগপূর্ণ এক মুহূর্ত, কারণ এখানেই ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে পেশাদার ফুটবলের পৃথিবীর সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল।’
তবে লুকাকুর চুক্তি এবং ট্রান্সফার ফির বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি কোনো ক্লাবই।
ইনজুরিতে জর্জরিত মৌসুম কাটলেও সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে নিজের শক্তির জানান দিয়েছেন সাবেক চেলসি, এভারটন ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা। বেলজিয়ামের হয়ে আসরে তিনি ৩টি গোল করেন। ক্যারিয়ারে আন্ডারলেখটের হয়ে বেলজিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, চেলসির হয়ে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ইন্টার মিলান ও নাপোলির হয়ে ইতালিয়ান সিরি ‘এ’ শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এই তারকা স্ট্রাইকারের।
মার্সেই থেকে ম্যাসন গ্রিনউডকে দলে ভেড়ানোর পর চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ফেনারবাচে যোগ দেওয়া দ্বিতীয় সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড হলেন লুকাকু। টানা চার মৌসুম ধরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী গালতাসারাইয়ের পেছনে থেকে রানার্স-আপ হিসেবে লিগ শেষ করা ফেনারবাচে ২০১৪ সালের পর থেকে আর তুর্কি লিগ শিরোপা জয়ের স্বাদ পায়নি।