সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হওয়ায় সমালোচনা করে প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের মনোনয়নপত্র জমা দেন জোটের নেতারা।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঐক্যের সমন্বয়ক জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এস এম হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, ‘শুনেছি বিএনপি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিংয়ে বসছেন। এখনও কাকে প্রার্থী দেবেন আমরা বা জাতি জানতে পারি নাই। কারণ ওনাদের মধ্যে প্রার্থী বাছাইয়ের যে সংকট আমরা লক্ষ করছি।’
বিএনপির ‘এই দৈন্যতার জায়গায়’ যোগ্য প্রার্থী দিতে না পারা বলে মন্তব্য করেন এই জামায়াত নেতা। তিনি বলেন, ‘সে জায়গা থেকেও আমরা আশা করতে পারি যে কর্নেল সাহেব যোগ্য। তিনি সবার সামনে, জাতির সামনে এসেছেন।’
সচিবালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সমালোচনা করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আর একটা বিষয় আমরা প্রতিবাদও করতে চাই। সচিবালয় হলো একটা নির্বাহী জায়গা। এখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক হবে, শীর্ষ ফোরামের বৈঠক হবে, এটা অতীতে রেকর্ড আমাদের জানা নাই। তো এই কাজটি ওনারা করছেন তাহলে ওনারা গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখেন—আমার দলের মতো হলে গণতন্ত্র, নাইলে আমি স্বৈরতন্ত্র।’
তিনি জানান, পাঁচ মাস বা ছয় মাসের কার্যক্রম অতীত থেকে কোনো পরিবর্তন নাই, ওনাদের মহাসচিব বলে দিয়েছেন। আমাদের আর নতুন করে বক্তব্য দরকার নেই। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল সাহেব যেভাবে বক্তব্য দিয়েছেন, এটা জাতি জেনে গেছে। তো বোঝা যাচ্ছে যে ওনারা আসলে পরিবর্তন চান না বলেই পরিবর্তন হচ্ছে না।
১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক জানান, অলি আহমদের মনোনয়নপত্রে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রস্তাবক ও এনসিপির আব্দুল্লাহ আল আমিন সমর্থক হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন।
অলি আহমদকে যোগ্য প্রার্থী উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারলে জয়ী হতেন জামায়াত জোটের প্রার্থী।
এ জাতীয় আরো খবর..