সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

ইউরোপে আসছে বৈদ্যুতিক বিমান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০৬, | ১৯:২১:৩৮ |

ঝলমলে নীল আকাশে এবার নিঃশব্দেই ডানা মেলতে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক বিমান। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী চার বছরের মধ্যেই ইউরোপের আকাশে বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে এই নতুন প্রযুক্তি। মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে ঘন ঘন উত্থান-পতন ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এনে স্বল্প দূরত্বের বিমানযাত্রাকে পরিবেশবান্ধব এবং সাশ্রয়ী করতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছেন ইউরোপের গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আগামী দিনে এই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইউরোপের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আকাশপথ সেবা প্রদান সম্ভব হবে। বিশেষ করে যেসব রুটে নদী বা সমুদ্র পার হতে হয় এবং যেখানে বুলেট ট্রেনের ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব, সেসব অঞ্চলের জন্য এই উদ্ভাবন এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে। লন্ডন থেকে ডাবলিন, এথেন্স থেকে সান্তোরিনি কিংবা বার্সেলোনা থেকে ইবিজার মতো জনপ্রিয় রুটগুলোতে এই বিমানগুলো দ্রুত চলাচল শুরু করতে পারে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিমান চালনার মূল চ্যালেঞ্জ ছিল ব্যাটারির অতিরিক্ত ওজন। তবে মোটর এবং বিমান নকশার দ্রুত উন্নয়নের ফলে সে সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। জার্মানির স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান 'ভেরিডিয়ন' ২০৩০ সালের মধ্যে ৯ আসনের ছোট বৈদ্যুতিক বিমান চালুর পরিকল্পনা করছে, যার অপারেটিং খরচ ট্রেনের প্রথম শ্রেণির ভাড়ার সমকক্ষ হবে। একই সাথে ডাচ কোম্পানি 'এলিসিয়ান' এবং ফরাসি প্রতিষ্ঠান 'অরা অ্যারো' আগামী দশকের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বড় পরিসরে যাত্রী পরিবহনের উপযোগী হাইব্রিড ও সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক বিমান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশপথের এই আমূল পরিবর্তন একদিকে যেমন বায়ু ও শব্দদূষণ অনেকটাই কমাবে, অন্যদিকে মূলধারার এয়ারলাইনগুলোর চোখ এড়িয়ে যাওয়া প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোকে খুব সহজেই মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করবে। তবে ফ্লাইট ফ্রি ইউকের মতো পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এই বিমানগুলোকে কার্যকরভাবে কার্বনমুক্ত করতে হলে চার্জিংয়ের জন্য কেবল শতভাগ নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করা নিশ্চিত করতে হবে। 

সূত্র: ইউরো নিউজ

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..