সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

পানি কমছে, উন্মোচিত হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৪, | ১৭:৫০:২২ |
টানা এক সপ্তাহ বন্যার পর কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী নদীর অববাহিকায় প্লাবিত নিচু এলাকাগুলো থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও পানি নামার সঙ্গে সঙ্গেই চকরিয়া ও পেকুয়া জুড়ে ভেসে উঠেছে বন্যার ক্ষতচিহ্ন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সরেজমিনে বন্যাকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বন্যার কারনে গ্রামীণ সড়কগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে, বিকল হয়েছে অসংখ্য যানবাহন।

বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুম চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষ এবং সমতলের পানের বরজ চাষিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

কৃষকের খেত-খামার ও স্বপ্ন পচে নষ্ট হয়ে গেছে বানের পানিতে। সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে মৎস্য খাতে। বানের পানিতে ভেসে গেছে কোটি টাকার মৎস্য ঘের।

ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকদের অভিযোগ, দুর্যোগের এই চরম মুহূর্তেও মৎস্য বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বা পরিদর্শককে মাঠে দেখা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ কিংবা সান্ত্বনা দিতেও কেউ এগিয়ে আসেনি। ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষিরা এখনো কোনো ধরনের সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস পাননি।

এদিকে পাহাড় ধসে গৃহহীন হওয়া বহু পরিবার এখনো খোলা আকাশের নিচে অমানবিক জীবনযাপন করছে। তাদের কাছে এখনো পৌঁছায়নি কোনো জরুরি পুনর্বাসন সহায়তা। এছাড়া মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে দেখা দিয়েছে চুরির উপদ্রব। বন্যার সুযোগ নিয়ে বন্যাকবলিত বেশ কিছু তালাবদ্ধ ও জনশূন্য বাসাবাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..