সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

একই মঞ্চে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির বিয়ে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০৪, | ১৪:২৭:৪৩ |

সামাজিক অপরাধ প্রবণতারোধ এবং যৌতুকের মতো কু-প্রথার বিরুদ্ধে তীব্র গণসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে লালমনিরহাটে একই মঞ্চে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সামাজিক অপরাধমুক্ত ও কুসংস্কারহীন সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়ে নতুন করে যাত্রা শুরু করেছে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সামাজিক আন্দোলন। এই মহতী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে লালমনিরহাটে সম্পূর্ণ যৌতুকবিহীন এক জমকালো গণবিয়ের আয়োজন করা হয়, যা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবদম্পতিদের শুভ পরিণয় সম্পন্ন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ণিল আলোকসজ্জা আর সাজসজ্জায় পুরো জেলা পরিষদ মিলনায়তন ছিল উৎসবমুখর। তবে সব চাকচিক্য ছাপিয়ে সবার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল মূল সভামঞ্চটি। এই জমকালো অনুষ্ঠানে মঞ্চ আলোকিত করে বসেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের ৭ জন বর ও ৭ জন কনে। যেখানে ত্রাণমন্ত্রীর উপস্থিতিতে একই সঙ্গে সাত জোড়া তরুণ-তরুণীর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। একই রঙের শেরওয়ানি পরা বর আর লাল শাড়িতে কনেদের উপস্থিতি পুরো মিলনায়তনে এক নান্দনিক আবহ তৈরি করে। সম্পূর্ণ যৌতুকহীন এই আয়োজনের মাধ্যমে তারা এক পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন জীবনের সূচনা করলেন। ​

যৌতুক প্রথার অভিশাপমুক্ত হয়ে নতুন জীবন শুরু করতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন নবদম্পতিরা। তারা যুবসমাজের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেন, বিয়ে হওয়া উচিত যৌতুকমুক্ত এবং অহংকারহীন। বর-কনেদের অভিভাবকরাও এই উদ্যোগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং একে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক। বক্তারা বলেন, ‘আলোকিত লালমনিরহাট’-এর এই উদ্যোগ কেবল জেলার জন্য নয়, বরং সারা দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আসাদুল হাবিব দুলু এর আগে যখন খাদ্য উপ-মন্ত্রী ছিলেন, তখনই জেলাজুড়ে জুয়া, মাদক, বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রতিরোধে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ নামক এই আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..