সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

জার্মানিতে চুরির রেকর্ড, ক্ষতি ছাড়াল ৪.৩৩ বিলিয়ন ইউরো

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৪, | ১২:৩১:৫৫ |

জার্মানির খুচরা বাজারে চুরির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা বলছে, এক বছরেই কয়েক বিলিয়ন ইউরোর পণ্য হারিয়েছে ব্যবসায়ীরা, যার পেছনে রয়েছে ক্রেতা থেকে শুরু করে কর্মচারী পর্যন্ত বিভিন্ন পক্ষের সম্পৃক্ততা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রকাশিত জার্মান বাণিজ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইএইচআই’র এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৫ সালে দেশটির বিভিন্ন দোকান থেকে মোট ৪ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের পণ্য চুরি হয়েছে। যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে জার্মান সংবাদমাধ্যম টাগেসচাও।

সমীক্ষা অনুযায়ী, চুরির ঘটনায় সবচেয়ে বেশি দায়ী ক্রেতারা। মোট ঘটনার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সংঘটিত হয়েছে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে, যারা সাধারণ ক্রেতার বেশে দোকানে প্রবেশ করে। তারা মূলত মদ, প্রসাধনী, ব্র্যান্ডের সুগন্ধি ও শেভিং ব্লেড চুরি করে বাইরে বিক্রি করে দেয়।

এছাড়া, খুচরা ব্যবসার কর্মচারীদের চুরির কারণে গত বছর প্রায় ৯১ কোটি ইউরোর ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে ডেলিভারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততায় ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭ কোটি ইউরো।

শুধু চুরি নয়, ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণেও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সময়মতো মূল্যছাড়ের ট্যাগ অপসারণ না করা, হিসাবের ভুল এবং পণ্য সরবরাহে গরমিলের কারণে ২০২৫ সালে প্রায় ৭৮ কোটি ইউরোর ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইএইচআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বয়ংক্রিয় বা সেলফ-চেকআউট ব্যবস্থাও নতুন করে ঝুঁকি তৈরি করছে। এসব কাউন্টারে অনেক ক্রেতা পণ্য স্ক্যান না করে বা কম দামের পণ্য স্ক্যান করে প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছেন। ইএইচআই’র তথ্যমতে, ২১ হাজারের বেশি বিক্রয়কেন্দ্রে চুরির কারণে জার্মান সরকার প্রতি বছর প্রায় ৫৯ কোটি ইউরো ভ্যাট রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চুরির প্রবণতাও বাড়ছে। সমীক্ষার লেখক ফ্রাঙ্ক হর্স্ট বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চাপের কারণে অনেক ভোক্তা ও কর্মচারী আর্থিক সংকটে পড়ছেন, যা চুরির হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

তবে জার্মান খুচরা ব্যবসায়ী সমিতি (এইচডিই) জানিয়েছে, দোকানে সংঘটিত প্রায় ৯৮ শতাংশ চুরির ঘটনা ধরা পড়ে না। অনেক ক্ষেত্রে আইনি জটিলতার কারণে ব্যবসায়ীরা অভিযোগও করেন না। ফলে প্রকৃত চুরির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

তথ্য সূত্র- ভিয়েতনাম.ভিএন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..