সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

চারটি নতুন গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান পেল মিয়ানমার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৩, | ১৩:১৮:০১ |

মিয়ানমারের উপকূলীয় সমুদ্রাঞ্চলে চারটি নতুন অফশোর গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশটির সামরিক সরকার জানিয়েছে, এই আবিষ্কার জ্বালানি খাতকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নতুন গ্যাস ক্ষেত্রগুলো আয়েয়ারওয়াদি ও তানিনথারই অঞ্চলের অফশোর এলাকায় অবস্থিত। প্রাথমিক মূল্যায়নে এসব ক্ষেত্রে মোট প্রায় ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) প্রাকৃতিক গ্যাস মজুত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রটি তানিনথারইয়ের গভীর সমুদ্র এলাকায় অবস্থিত। সেখানে প্রায় ৯৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যার সম্ভাব্যতা প্রায় ৯০ শতাংশ। অন্যদিকে আয়েয়ারওয়াদি অঞ্চলের নতুন গ্যাস ক্ষেত্রে প্রায় ১৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস থাকার সম্ভাবনা উল্লেখ করেছে কর্তৃপক্ষ।

সরকারের দাবি, নতুন আবিষ্কৃত ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে এমন একটি ব্লক রয়েছে, যেখানে পূর্ববর্তী এক প্রতিবেদনে প্রায় ৯৪ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুতের কথা বলা হয়েছিল। আন্দামান সাগরের দক্ষিণ তানিনথারই উপকূলের কাদান দ্বীপসংলগ্ন এই ব্লকটি প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরভিত্তিক কানাডিয়ান ফরসাইট গ্রুপ মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস সংস্থা এমওজিইয়ের সঙ্গে এই ব্লকের জন্য উৎপাদন-বণ্টন চুক্তি (প্রোডাকশন শেয়ারিং এগ্রিমেন্ট) স্বাক্ষর করে।

২০১৭ সালের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত এই খাত থেকে আসতে পারে। সে সময় সম্ভাব্য গ্যাস মজুতের মূল্য প্রায় ২৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সরকার জানিয়েছে, নতুন গ্যাস ক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলিত গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা এবং শিল্প খাতে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তাও রয়েছে। কারণ মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস সংস্থা এমওজিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

সূত্র: দ্য ইরাবতী

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..