সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে থাকছে যেসব সুখবর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১১, | ১২:৫৭:১০ |

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একাধিক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জনজীবনে স্বস্তি ফেরানোর পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে শুল্ক, ভ্যাট ও কর কাঠামোয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে আমদানি শুল্ক ব্যবস্থায়। ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, মনিটর ও প্রিন্টার আমদানির ক্ষেত্রে সব ধরনের শুল্ক ও ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে এসএসডি আমদানিতে অন্যান্য শুল্ক বাতিল করে কেবল ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি স্টার্টআপ খাতে স্থানীয় ও আমদানি পর্যায়ের সেবার ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার, মোবাইল সিম ব্যবহারে আরোপিত ৩০০ টাকার কর বাতিল এবং ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় করমুক্ত করার পরিকল্পনাকে ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের লক্ষ্যে স্টার্টআপ, নারী এবং প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের জন্য করমুক্ত টার্নওভার সীমাও বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং ও কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয় পুরোপুরি করমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কাজ করে যে আয় করছেন, তা এখন ডিজিটাল অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সেবার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য থাকলেও প্রস্তাবিত বাজেটে এই ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায়ের ভ্যাট এবং স্থাপনা ভাড়ার ওপর আরোপিত ভ্যাট মওকুফ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..