সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

আগ্নেয়গিরির চূড়ায় নেমে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন থাই স্কাইডাইভার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৫, | ১২:২৯:২৫ |

থাইল্যান্ডের তানাবোওর্ন সিরিকুনাকর্নকুন, যিনি ‘সুপার টুম’ নামেও পরিচিত, এবার গড়লেন এক অনন্য ইতিহাস। ৪৮ বছর বয়সী এই বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, রিয়েল এস্টেট উদ্যোক্তা এবং থাই সংসদের নির্বাহী প্যারাস্যুটে নেমে এলেন কোনো সাধারণ সমতল ভূমিতে নয়; বরং পৃথিবীর সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরির চূড়ায়। তার এই দুঃসাহসিক অভিযানের মাধ্যমেই ভেঙে গেছে বিশ্বরেকর্ড, যা এখন নতুন এক সাহসিকতার নজির হয়ে রইলো।

গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির ওহোস দেল সালাদো আগ্নেয়গিরির চূড়ায় প্যারাস্যুটে অবতরণ করেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত এই স্থানটিই এখন সর্বোচ্চ উচ্চতায় স্কাইডাইভ বা প্যারাস্যুট অবতরণের নতুন বিশ্বরেকর্ড। আন্দিজ পর্বতমালায় অবস্থিত ওহোস দেল সালাদো বিশ্বের সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হিসেবে পরিচিত।

‘সুপার টুম’ প্যারাস্যুট নিয়ে যে উচ্চতায় লাফিয়ে নেমেছেন, এর চেয়ে কম উচ্চতা দিয়ে অধিকাংশ বাণিজ্যিক টার্বোপ্রপ উড়োজাহাজ উড়ে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এত উঁচুতে লাফিয়ে নামার জন্য সিরিকুনাকর্নকুনকে অতি উচ্চতার পাশাপাশি হিম বাতাসের মোকাবিলা করতে হয়েছে। অত উঁচুতে বাতাসে অক্সিজেনের মাত্রাও খুব কম ছিল।

এর আগে স্কাইডাইভ দিয়ে সবচেয়ে উঁচুতে নামার রেকর্ডটি হয়েছিল ২০২৩ সালে।

লাফিয়ে পড়ার সময় আকাশ থেকে নিচের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে সিরিকুনাকর্নকুন বলেন, ‘চারপাশের দৃশ্য ছিল অবিশ্বাস্যরকম সুন্দর। আমি আগে এমন কিছু দেখিনি। এটি সত্যি এক অসাধারণ জায়গা। বিভিন্ন খনিজের কারণে সেখানে অনেক রঙের সমারোহ ঘটেছে, এ কারণে আগ্নেয়গিরিটিকে দেখতে রংধনুর মতো লাগে।’

মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৪ সাল থেকে সিরিকুনাকর্নকুন স্কাইডাইভিং শুরু করেন। এরই মধ্যে তিনি ১ হাজার ২৫০ বার আকাশ থেকে লাফ দিয়েছেন। নতুন রেকর্ড গড়া প্রসঙ্গে বলেন, তিনি চান বিশ্বের মানুষ থাইল্যান্ডকে চিনুক ও দেশটির জন্য গর্ব অনুভব করুক।

রেকর্ড গড়া লাফের জন্য কেন ওহোস দেল সালাদোকে বেছে নিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে এই স্কাইডাইভার বলেন, ‘কারণ, এটি এমন এক স্থান, আমার দলের সবার কাছে যেটিকে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে। পরে লাফ দেওয়ার সময় আমরা বিশ্বের সর্বোচ্চ (সক্রিয়) আগ্নেয়গিরির অসাধারণ সৌন্দর্য আবিষ্কার করি।’ সূত্র: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..