✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

অনবরত হাঁচি? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মুক্তির উপায়

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২১, | ১৪:০১:৫৬ |

গরমের সময় সর্দি-ঠান্ডা, ধুলাবালি, পরাগরেণু ও অ্যালার্জির কারণে অনেকের হাঁচির সমস্যা বেড়ে যায়। দিনে দু-একবার হাঁচি স্বাভাবিক হলেও, তা যদি বারবার হতে থাকে, তাহলে দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

হাঁচি মূলত শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা। নাকের ভেতরে ধুলা, জীবাণু বা অন্য কোনো উত্তেজক উপাদান প্রবেশ করলে শরীর সেটিকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাই সমস্যার কারণ বোঝা জরুরি— এটি ঠান্ডাজনিত, নাকি অ্যালার্জির কারণে হচ্ছে।

ঘরোয়া কিছু উপায় অনুসরণ করলে এ ধরনের সমস্যা থেকে কিছুটা আরাম পাওয়া যেতে পারে।

গরম পানির ভাপ

নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পড়া কিংবা ঘন ঘন হাঁচির ক্ষেত্রে গরম পানির ভাপ উপকারী হতে পারে। এতে নাকের ভেতরের জমে থাকা শ্লেষ্মা নরম হয় এবং শ্বাস নিতে সুবিধা হয়। গরম পানি দিয়ে গোসল করলেও উপকার মিলতে পারে।

জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার বা সাপ্লিমেন্ট

জিঙ্ক শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে সর্দি, নাক বন্ধ ও হাঁচির সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

ভিটামিন সি

ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখে। লেবু, কমলা, পেয়ারা, আমলকীর মতো ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাওয়া উপকারী।

গরম সেঁক

সাইনাসের চাপ, নাক বন্ধ ও হাঁচির সমস্যা কমাতে গরম সেঁক কার্যকর হতে পারে। একটি তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিংড়ে মুখের ওপর সেঁক দিলে কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।

পর্যাপ্ত বিশ্রাম

অতিরিক্ত ক্লান্তি ও ঘুমের অভাব শরীরকে দুর্বল করে দেয়। এতে অ্যালার্জি বা সংক্রমণের প্রভাব দ্রুত বাড়তে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

আদা ও মধু

আদায় থাকা প্রদাহরোধী উপাদান গলা ও নাকের অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। মধু অ্যালার্জিজনিত হাঁচি ও সর্দি কমাতে উপকারী হতে পারে। হালকা গরম পানিতে আদা ও মধু মিশিয়ে খেলে অনেকেই আরাম পান।

বেশি তরল পান করা

শরীরে পানির ঘাটতি হলে নাক ও গলার ভেতরের অংশ শুকিয়ে যেতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। ডাবের পানি, পাতলা স্যুপ বা গরম ভেষজ চা উপকারী হতে পারে।

তবে দীর্ঘদিন ধরে হাঁচি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর বা তীব্র অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..