জুলাইয়ে ২৩ হত্যা: কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-৩০, | ১৪:০৬:২৩ |
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন দুই আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানির শুরুতে আসামিপক্ষের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে মামলায় আনা তিনটি অভিযোগ পাঠ করেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এরপর কাঠগড়ায় থাকা কামরুল ও মেননকে অভিযোগ স্বীকার করবেন কিনা জিজ্ঞেস করা হয়।

ট্রাইব্যুনালে আসতে অস্বীকৃতি, ২ ঘণ্টা পর বাধ্য হলেন সাবেক মন্ত্রী কামরুল
এ সময় দাঁড়িয়ে ট্রাইব্যুনালকে মেনন বলেন, আমি নির্দোষ। ন্যায়বিচার চাই। তবে এ অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন কামরুল। একইসঙ্গে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন তিনি।

পরে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়ে মামলার সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৯ জুন দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

শুনানিতে প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান, মঈনুল করিমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন উসকানি দিয়েছেন কামরুল ও মেনন। তারা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। ফলে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশ এলাকায় ২৩ জন নিহত হন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..