সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

রিহ্যাবে গেলেন সংগীতকে বিদায় জানানো ব্রিটনি স্পিয়ার্স

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৫, | ১৬:৫১:৪০ |
পপ সম্রাজ্ঞী ব্রিটনি স্পিয়ার্স স্বেচ্ছায় একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে (রিহ্যাব) ভর্তি হয়েছেন। গত মার্চ মাসে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর দায়ে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন। এই সংগীতশিল্পীর প্রতিনিধি তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভেনচুরা কাউন্টিতে অসংলগ্নভাবে গাড়ি চালানোর সময় পুলিশের হাতে আটক হন ব্রিটনি। পরীক্ষায় তার শরীরে মাদক ও অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তখন সাময়িকভাবে তাকে আটক করা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

এ ঘটনায় ব্রিটনির ম্যানেজার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, ‘ব্রিটনির এই আচরণ সম্পূর্ণ ক্ষমা অযোগ্য। সে এখন আইন মেনে সঠিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। আশা করি, তার জীবনে যে পরিবর্তনের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ছিল, এটিই হবে তার প্রথম ধাপ।’

মার্কিন সংগীত ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী এই শিল্পী গত কয়েক বছর ধরে গান থেকে দূরে আছেন। ২০১৬ সালে তার শেষ অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। ২০২২ সালে এলটন জনের সঙ্গে ‘হোল্ড মি ক্লোজার’ গানের মাধ্যমে তিনি চার্টের শীর্ষে ফিরলেও, ২০২৪ সালে ঘোষণা দেন যে, তিনি আর কখনোই গানের জগতে ফিরবেন না। 

এমনকি ২০২৫ সালের শেষের দিকে তিনি তার গানের সমস্ত স্বত্ব (ক্যাটালগ) প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ‘প্রাইমারি ওয়েভ’-এর কাছে বিক্রি করে দেন। 

২০২৩ সালে প্রকাশিত তার আত্মজীবনী ‘দ্য ওম্যান ইন মি’ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাফল্য পায়। বর্তমানে এই বইটি নিয়ে একটি সিনেমা নির্মাণের কাজ চলছে, যা পরিচালনা করবেন ‘উইকেড’ খ্যাত পরিচালক জন এম চু। 

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৩ বছর ব্রিটনি তার বাবার কঠোর ‘কনজারভেটরশিপ’ বা আইনি অভিভাবকত্বের অধীনে ছিলেন। সেই সময় তার খরচ, খাদ্যতালিকা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ওপর চরম বিধিনিষেধ ছিল, যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ব্রিটনি স্পিয়ার্স সেই বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান। 

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..