সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের ১২ তরুণের মৃত্যু

৯ পাচারকারীর নাম উল্লেখ করে দুই থানায় মামলা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-০১, | ১১:২০:০৮ |
লিবিয়া থেকে রাবারের নৌকায় করে ইউরোপের দেশ গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে সুনামগঞ্জের ১২ তরুণের নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় জগন্নাথপুর ও দিরাই থানায় পৃথক মামলা হয়েছে। ৯ দালালের নাম উল্লেখ এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে এই দুটি মামলা হয়। 

গত সোমবার গভীর রাতে জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের নিহত আমিনুর রহমানের বাবা হাবিবুর রহমান এবং দিরাইয়ের জগদলের নিহত সোহানুর রহমানের বাবা ছালিকুর রহমান বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করেন।


আসামিরা হলো– ছাতক থানার গয়াসপুর গ্রামের মদরিছ মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া, জগন্নাথপুর উপজেলার ইছগাঁও গ্রামের মৃত মন্তাজ মিয়ার ছেলে আজিজুল ইসলাম, অজ্ঞাতপরিচয় বিলাল মিয়া, জসিম মিয়া ও এনাম মিয়া। এর মধ্যে বিলাল মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। দিরাই থানায় দায়ের করা মামলার আসামিরা হলো– জগদলের ছালেহ আহমদ, মজলিসপুরের মিখাইল মিয়া, দোয়ারাবাজারের জসিম এবং জগদলের মুজিবুর রহমান।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার দক্ষিণ পাইলগাঁও গ্রামের আমিনুর রহমান মেঘনা গ্রুপের এসআর হিসেবে জগন্নাথপুরে কাজ করত। কাজের সুবাদে পরিচয় হয় মানব পাচারকারী দালাল চক্রের হোতা বিলাল মিয়ার ছোট ভাই দুলন মিয়ার সঙ্গে। সে জানায়, আমার বড় ভাই পর্তুগাল থাকেন। তিনি গ্রিসে লোক পাঠান। তুমি যদি গ্রিসে যেতে চাও তাহলে ১১ লাখ টাকা দিতে হবে। বিষয়টি আমিনুর তাঁর বাবাকে জানালে তিনি এতে রাজি হন। পরে আমিনুর তাঁর জমানো টাকা দিয়ে গত জানুয়ারি মাসে লিবিয়া চলে যান। সেখানে যাওযার পর গ্রিসের জন্য দালালকে চুক্তি অনুয়ায়ী ১১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। গত ২৮ মার্চ অবৈধ পথে নৌকায় করে সাগরপথে গ্রিসের উদ্দেশে জগন্নাথপুরের পাঁচজন এবং অন্য ৩৮ বাংলাদেশিসহ ৪৫ জন যাত্রা করেন। 

মামলার বাদী হাবিবুর রহমান বলেন, মানব পাচারকালে দালালদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি মামলা করেছি। মামলায় জগন্নাথপুরের নিহত চার তরুণের পরিবারের লোকজন সাক্ষী হয়েছেন। 
পৃথক মামলায় একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ করেছেন দিরাইয়ের জগদলের নিহত সোহানুর রহমানের বাবা ছালিকুর রহমান।
জগন্নাথপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। 
দিরাই থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য কাজ করছি।
 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..