সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন প্রখ্যাত শিল্পী বশির আহমেদ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-০৫, | ১৭:৫৫:০৩ |
দেশের সংগীত ও চলচ্চিত্র অঙ্গনে কালজয়ী অবদান রাখায় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদকে (মরণোত্তর) ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে, যার মধ্যে বশির আহমেদের নাম রয়েছে তালিকার আট নম্বরে।

১৯৩৯ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করা বশির আহমেদ তার দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য অবিস্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন। ওস্তাদ বেলায়েত হোসেন ও ওস্তাদ বড় গোলাম আলী খানের কাছে তালিম নেওয়া এই শিল্পী ষাটের দশকে বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের গানে অভাবনীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বিশেষ করে ‘অনেক সাধের ময়না আমার’, ‘আমাকে পোড়াতে যদি এত লাগে ভালো’, ‘যারে যাবি যদি যা’ এবং ‘ডেকো না আমাকে তুমি’ এর মতো গানগুলো তাকে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে দিয়েছে।

বশির শুধু একজন কণ্ঠশিল্পীই ছিলেন না, বরং উর্দুভাষার গীতিকার, সুরকার এবং সফল সংগীত পরিচালক হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। 

২০০৩ সালে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ সিনেমার জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং সংগীতে অবদানের জন্য একুশে পদকে ভূষিত হন। ২০১৪ সালের ১৯ এপ্রিল ৭৪ বছর বয়সে এই গুণী শিল্পীর প্রয়াণ ঘটে। মরণোত্তর এই সম্মাননা তার দীর্ঘ সংগীত সাধনার এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..