সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

অচল বন্দর : উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসলেন শ্রমিকরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০৫, | ১৬:৪৬:৪৯ |
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় চুক্তি বাতিলের দাবিতে টানা কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর। আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়ার মধ্যে অচলাবস্থা নিরসনে নৌ-পরিবহন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আন্দোলনরত শ্রমিক নেতারা। 

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে বিকেলে বন্দর ভবনে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেন তারা।

বন্দর রক্ষা সংগ্রাম ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির বৃহস্পতিবার দুপুরে বন্দর ভবনের সামনে বলেন, আলোচনা ছাড়া কোনো সমস্যার সমাধান হয় না। তাই পতেঙ্গার বোট ক্লাবে নয়, বন্দর ভবনেই বৈঠক করতে হবে—এ দাবিতে অনড় ছিলেন শ্রমিকরা। পরে বিকেল ৩টায় বন্দর ভবনে বৈঠকে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

তিনি বলেন, শ্রমিকদের এক দফা দাবি এনসিটি লিজ চুক্তি বাতিল করতে হবে। দাবি মেনে নেওয়া হলে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হবে। উপদেষ্টার সঙ্গে সকালে প্রাথমিক আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চুক্তির অর্থনৈতিক দিকগুলো সম্পর্কে উপদেষ্টা পুরোপুরি অবগত নন বলে তাদের মনে হয়েছে। বিষয়গুলো তুলে ধরে এটিকে দেশবিরোধী চুক্তি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হবে বলেও জানান তিনি।


এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ওই বৈঠকে আন্দোলনকারী শ্রমিক নেতাদের রাখা হয়নি।

পরে উপদেষ্টা পতেঙ্গার বোট ক্লাবে শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনকারীরা। তাদের বক্তব্য ছিল— বন্দর–সংক্রান্ত বিষয়ে বৈঠক বন্দর ভবনেই হতে হবে। শেষ পর্যন্ত বিকেলে বন্দর ভবনে বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..