সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

এবার মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স পাবেন ইরানি নারীরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০৪, | ২২:৫৮:৪৩ |
ইরানের নারীরা এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স নিতে পারবেন। বুধবার স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। এর ফলে দুই চাকার যানবাহন চালানো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আইনি অস্পষ্টতার অবসান হলো।

আগে প্রচলিত আইনে নারীদের মোটরসাইকেল বা স্কুটার চালানো সরাসরি নিষিদ্ধ না হলেও কর্তৃপক্ষ তাদের লাইসেন্স দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল।

এই আইনি অস্পষ্টতার কারণে কোনো দুর্ঘটনায় পড়লে দায়ভার নারীদেরই বহন করতে হতো।

ট্রাফিক আইন স্পষ্ট করতে মঙ্গলবার ইরানের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেন। জানুয়ারির শেষ দিকে ইরানের মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে বলে দেশটির ইলনা সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে।

ইলনার খবরে বলা হয়, নতুন আইনের আওতায় ট্রাফিক পুলিশ নারী আবেদনকারীদের প্রশিক্ষণ দিতে পারবে, পুলিশের সরাসরি তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা আয়োজন করা যাবে এবং নারীদের মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্স প্রদান করা হবে।

সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন এসেছে। তেহরান স্বীকার করেছে, বিক্ষোভ চলাকালে তিন হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, নিহতদের অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও পথচারী।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকে ইরানে নারীরা নানা সামাজিক বিধি-নিষেধের মুখে পড়েছেন।

মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে ড্রেস কোড একটি বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হতো।
ইরানে নারীদের জনসমক্ষে মাথায় ওড়না দিয়ে চুল ঢেকে রাখা এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরা বাধ্যতামূলক। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক নারী এসব নিয়ম মানছেন না, ফলে মোটরসাইকেলে নারীদের উপস্থিতি গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

পুলিশি হেফাজতে তরুণী মাহশা আমিনির মৃত্যুর ঘটনার পর এই প্রবণতা আরো জোরালো হয়। ড্রেস কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক ওই নারীর মৃত্যুর পর দেশজুড়ে নারীদের স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..