সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

মোবাইল ফোন হস্তান্তর ও বিক্রিতে বিটিআরসির জরুরি নির্দেশনা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০৩, | ২০:০৬:১১ |
ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হস্তান্তর বা বিক্রির আগে অবশ্যই নিবন্ধন বাতিল করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হওয়ার পর এই নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)’ সিস্টেম গত ১ জানুয়ারি থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করেছে।

বিটিআরসি জানায়, এনইআইআর চালুর ফলে বর্তমানে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে সচল থাকা সব মোবাইল ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হয়ে গেছে।
এর মাধ্যমে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নিজের নামে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের সিম কার্ড পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে অথবা ফোনটি অন্য কারো ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর কিংবা বিক্রয়ের আগে অবশ্যই ডি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট হ্যান্ডসেটটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) থেকে নিবন্ধন বাতিল বা অবমুক্ত করতে হবে।

ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য সিম ক্রয়ের সময় ব্যবহৃত ডকুমেন্ট—জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।

ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে বিটিআরসি’র ওয়েবসাইট neir.btrc.gov.bd ভিজিট করতে বলা হয়েছে। এছাড়া বিটিআরসি’র কল সেন্টার ১০০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে কিংবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়া যাবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..