সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

বেতন-ভাতা নিয়ে অসন্তোষ, ভেস্তে কাউন্টারভিত্তিক বাস?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০২-১০, | ১০:৪৩:১৪ |

বেতন-ভাতা নিয়ে মালিক-শ্রমিকের অসন্তোষে ভেস্তে যেতে বসেছে ঢাকার ২১টি কোম্পানির কাউন্টার ও ই-টিকিটিং পদ্ধতি। চালক ও সহকারীদের অভিযোগ-নতুন পদ্ধতিতে মালিকরা তাদের ঠিকমতো বেতন দিচ্ছেন না। এ অবস্থায় সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এসব রুটে কয়েকটি পরিবহনের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তি বেড়েছে যাত্রীদের।

চলতি মাসের ৬ তারিখে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষকে পুরোপুরি উপেক্ষা করে ঢাকার গণপরিবহনের ২১টি কোম্পানি চালু করে কাউন্টার ও ই-টিকেটিং পদ্ধতি। মালিক সমিতির দাবি- শুরুতে সেবার মান কম হলেও পরবর্তীতে তা বাড়বে। কিন্তু মাত্র কয়েকদিনেই বাস্তবতা পুরো ভিন্ন। মালিক শ্রমিক অসন্তোষে আজ এই রুটে চলাচলকারী কয়েকটি পরিবহনের বাস রাস্তায় চোখেই পড়েনি।

রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) উত্তরা আজমপুর বাস স্টান্ডে এই রুটের সব পরিবহনের কাউন্টার সচল ছিল। একদিন পরই সোমবার ছাতা-টেবিল চোখে পড়লেও দেখা মিলল না সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির।

যাত্রীদের একজন বলেন, ‘একটা কাউন্টার থেকে আরেকটা কাউন্টার অনেক দূরে হওয়ায় যাত্রীদের তেমন দেখছি না কাউন্টার থেকে টিকেট নিতে।’

কাঙ্ক্ষিত বাস না পেয়ে ভোগান্তিতে এই রুটের যাত্রীরা।

যাত্রীদের আরেকজন বলেন, ‘যে নিয়মটা ছিল যাত্রীদের কাউন্টার ছাড়া উঠতে পারবে না। যাত্রীরা দাঁড়িয়ে যেতে পারবে না। সেটা আসলে বাস্তবায়ন হচ্ছে না।’

কয়েকটি পরিবহন হাতে গোনা কাউন্টার থেকে যাত্রী তুললেও ভিআইপি, ভিক্টর থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি পরিবহনকে আগের মতই ডেকে ডেকে যাত্রী তুলতে দেখা যায়। চালক, হেলপারদের অভিযোগ এই পদ্ধতিতে গত কয়েকদিন তারা ঠিকমতো বেতনই পাননি।

চালকদের একজন বলেন, ‘কাউন্টার থেকে কীভাবে লোক উঠাবো। আমাদের তো ৩ থেকে ৪ দিন আমাদের বেতন দেই না। মালিকরা কোনো টাকা দেই না।’

আরেকজন বলেন, ‘কোনো গাড়িতে তেল নেই। ড্রাইভার, স্টাফদের কারো বেতন নাই। যারা কর্মকর্তা আছে তাদেরকে সবার কল করা হচ্ছে কিন্তু তাদের মোবাইল বন্ধ।’

ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষজ্ঞরা বারবারই জোর দিচ্ছেন সমন্বয়কে। কিন্তু কঠোর প্রচেষ্টা ছাড়া সমন্বয়হীন ও অপরিকল্পিত এসব উদ্যোগ ক্ষণিকের আশা জাগলেও, শেষমেষ তা ভেস্তে যায়।

 

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..