✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

২০৩০ সালে ই-সিম ব্যবহারকারী হবে ৪৫০ কোটি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৫-২৬, | ১৪:১০:২৫ |

দুনিয়াজুড়ে স্মার্টফোনে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ই-সিম প্রযুক্তি। আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বব্যাপী ৭৫ শতাংশ স্মার্টফোনে থাকবে ই-সিম সুবিধা। ক্যালেইডো ইন্টেলিজেন্সের এক গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে।

 

 

 

বিগত বছর যেখানে মাত্র ৫০ কোটি ডিভাইসে ই-সিম ছিল, সেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৪৫০ কোটিতে দাঁড়াবে বলেছে সংস্থাটি। শুধু স্মার্টফোন নয়, ইন্টারনেট অব থিংস ডিভাইসের জন্যও বিশেষ ই-সিম চালু হচ্ছে, যা প্রযুক্তির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে।

ই-সিম (ইলেকট্রনিক সিম) হলো একটি ডিজিটাল সিম কার্ড যা সরাসরি ডিভাইসের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। এটি স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট ও এলওটি ডিভাইসে ব্যবহারযোগ্য। ফিজিক্যাল সিম কার্ড ছাড়াই নম্বর পরিবর্তন বা অপারেটর বদলানো যায় খুব সহজেই। পরিবেশবান্ধব ও ঝামেলাহীন প্রযুক্তি হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বজুড়ে ই-সিম কানেকশন হবে প্রায় ৪৫০ কোটি। এর পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে ফাইভজি নেটওয়ার্কের বিস্তার, ব্যবহারকারীদের সুবিধা ও স্মার্ট ডিভাইসের চাহিদা।

সম্প্রতি চীনের সরকার ই-সিম সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে। এর ফলে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে চীনের বাজারে আসছে ই-সিম চালিত স্মার্টফোন। বিশ্লেষকদের মতে, চীনে ই-সিমের বিস্তার হলে বিশ্ববাজারে এর গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ই-সিম প্রযুক্তির সাফল্যের অন্যতম কারণ হলো ফাইভজি নেটওয়ার্কের দ্রুত বিস্তার। এটি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট কানেকশন নিশ্চিত করছে, যা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। পাশাপাশি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি হিসেবে ই-সিম ভবিষ্যতে আরও টেকসই সংযোগের পথ দেখাবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..