✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

নভেম্বর পর্যন্ত দেশে প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২১-০৯-১০, | ০৬:৩৬:০১ |

আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ করে করোনাভাইরাসের টিকা আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় রাজধানীর মহাখালীতে তিতুমীর কলেজে বাংলাদেশ ডেন্টাল সার্জন (বিডিএস) পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

করোনা টিকা সংগ্রহ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) কোভ্যাক্সের আওতায় ১৮ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছে। এর আগে তারা আমাদের ১০ লাখ টিকা দিয়েছে। এ মাসে আমরা আশা করছি, চীন থেকে ২ কোটি টিকা পাব। টিকা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকা দেওয়া কার্যক্রমও জোরদার হবে।

গণটিকা কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে আমরা টিকা পাওয়ার শিডিউল পেয়েছি। আজকেও চীন থেকে ৫০ লাখ টিকা আসার একটা শিডিউল আছে। এ মাসে এমন চারটি শিডিউল রয়েছে। এখন থেকে আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ টাকা আসবে।

জাহিদ মালেক বলেন, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে এখনও সিদ্ধান্ত আসেনি। বহু দেশে এ বয়সীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে না। দু’একটা দেশে পরীক্ষামূলকভাবে দেওয়া হচ্ছে এবং ফল লক্ষ্য করা হচ্ছে। আমরাও একই পদ্ধতি অনুসরণ করছি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দিলে আমরাও টিকা দেওয়ার চেষ্টা করব।

জাহিদ মালেক আরো বলেন, অল্প বয়সীদের সংক্রমণের হারও কম। স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজে ক্লাস পরিচালনা করা হবে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে পুনরায় আমরা স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেব। করোনা সংক্রমণের ওপরে সব কিছু খোলা ও বন্ধ নির্ভর করে। সংক্রমণের হার কমেছে বলেই বর্তমানে স্কুল-কলেজ খোলা হচ্ছে। নির্বাচনের কথা ভাবা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..