✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত: প্রসিকিউটর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-৩০, | ২০:১১:৪৬ |

শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম।

বুধবার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এদিন মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামের জবানবন্দি নেওয়া হয়। তবে তার জবানবন্দি শেষ না হওয়ায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউটর তামিম বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা এদিন আংশিক জবানবন্দি দিয়েছেন। তার বাকি জবানবন্দি আগামী রবিবার উপস্থাপন করা হবে। তার সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য উপস্থাপন শেষ হবে। এরপর আসামিপক্ষ চাইলে নিজেদের সাক্ষ্য উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন। এরপর যুক্তিতর্ক হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আমরা যেসব অভিযোগ এনেছিলাম, ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যে প্রতিটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি।’

প্রসিকিউটর জানান, তদন্ত কর্মকর্তা তার জবানবন্দিতে মামলার তদন্ত কীভাবে পরিচালনা করেছেন, কার কার জবানবন্দি নিয়েছেন, কোথায় কোথায় গেছেন এবং কী কী তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন, সেসব তুলে ধরছেন। তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে সংগৃহীত তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণও তিনি আদালতের সামনে উপস্থাপন করছেন।

তিনি আরও বলেন, এ মামলায় তৎকালীন সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তাও সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাদের জবানবন্দিতে জিয়াউল আহসানের কর্মকাণ্ড এবং তিনি কীভাবে কথিত অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তার বিস্তারিত বিবরণ উঠে এসেছে।

মামলার সাক্ষ্যগুলোতে র‌্যাবের কর্মকর্তাদের ধীরে ধীরে এ ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি উঠে এসেছে বলেও জানান প্রসিকিউটর।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..