✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

পাহাড়ে সবুজ মাল্টার বাম্পার ফলন, লাভবান কৃষক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২৬, | ১৮:০৯:৪০ |

পাহাড়ে সবুজ মাল্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। এরই মধ্যে হাটবাজার সয়লাব হয়েছে পাহাড়ে উৎপাদিত সবুজ মাল্টায়। দেখতে যেমন আকর্ষণীয়, খেতেও তেমন সুস্বাদু। সাধারণ মাল্টার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি মিষ্টি হওয়ায় এ ফলের চাহিদাও বেশি। দামও তুলনামূলক বেশি। ফলে লাভবান হচ্ছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি সদর, নানিয়ারচর, কাউখালী ও বাঘাইছড়ি উপজেলায় ব্যাপক হারে চাষ হচ্ছে সবুজ মাল্টার। এ মাল্টাকে বারি-১ বলা হয়। কাঁচা অবস্থায় হালকা সবুজ এবং পাকলে গাঢ় সবুজ রং ধারণ করে এ ফল। তবে হলুদ রং ধারণ করে না। সবুজ পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা সবুজ মাল্টা তেমন চোখে পড়ে না। দূর থেকে মাল্টার বাগান দেখলে কখনো বোঝা যায় না, একেকটি গাছে কত ফল রয়েছে।

মাল্টাচাষি হেমা কুমার চাকমা বলেন, পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া উপযুক্ত থাকায় এবার মাল্টা চাষে সফল হয়েছেন চাষিরা। তাছাড়া কম খরচে ব্যাপক ফলন হওয়ায় লাভও বেশি। তাই কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে পাহাড়ে উৎপাদিত মাল্টা বিরাট ভূমিকা রাখছে। রাঙামাটি ছাড়িয়ে এসব মাল্টা ঢাকা ও চট্টগ্রামেও সরবরাহ হচ্ছে।

রাঙামাটি কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দেশীয় মাল্টার চাষ। পাশাপাশি ফলনও হয়েছে ব্যাপক। এরই মধ্যে সফলতা পেয়েছেন রাঙামাটির শুকরছড়ি গ্রামের অনেক মাল্টাচাষি। ফলে পাহাড়ের কৃষকদের মধ্যে মাল্টা চাষের আগ্রহও বেড়েছে।

পাহাড়ে উৎপাদিত এসব মাল্টার চাহিদা অনেক। রাঙামাটি জেলায় প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হেক্টর জমিতে মাল্টার বাগান গড়ে তুলেছেন কৃষকরা। পাহাড়ি মাটি উর্বর হওয়া এবং সঠিক পরিচর্যার কারণে সহজেই বেড়ে উঠছে মাল্টাগাছ। হেক্টরপ্রতি ১২ মেট্রিক টন করে মাল্টা উৎপাদিত হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় অনেক। এসব মাল্টা বিক্রি করে ৪ থেকে ৫ কোটির বেশি টাকা আয় করেছেন চাষিরা।

পাহাড়ে জুম চাষের পরিবর্তে অনেক কৃষক এখন মাল্টা চাষ করছেন। পাহাড়ে উৎপাদিত দেশীয় মাল্টার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো গেলে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারেন স্থানীয় কৃষকরা।

রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিনরুজ্জামান বলেন, পাহাড়ে উৎপাদিত মাল্টার নাম বারি মাল্টা-১। অন্যান্য মাল্টার রং হলুদ হলেও পাহাড়ে উৎপাদিত মাল্টা দেখতে সবুজ। খেতেও সুস্বাদু। রসালো ও মিষ্টি এই মাল্টার চাহিদাও অনেক।

তিনি বলেন, স্থানীয় কৃষি বিভাগ মাল্টাচাষিদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে। হেম কুমার চাকমার মতো অনেকেই এখানে মাল্টার বাগান গড়ে তুলেছেন। এসব মাল্টার চাহিদা অনেক। তাই সহজেই বাজারজাত করা যায়। পাহাড়ি জমিতে মাল্টা চাষ বাড়াতে রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মাল্টার চারা বিতরণ করে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..