✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

আকাশে আজ শরতের ‘হারভেস্ট মুন’, দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২৬, | ১৮:০৭:৩৭ |

আকাশপ্রেমী ও জ্যোতির্বিজ্ঞান উৎসাহীদের জন্য আজ রাতটি হতে যাচ্ছে বিশেষ। আজ শনিবার রাতের আকাশে দেখা মিলবে ২০২৬ সালের বহুল প্রতীক্ষিত ‘হারভেস্ট মুন’ বা ‘ফসল তোলার চাঁদ’। শরৎ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে দেখা দেওয়া এই পূর্ণিমার চাঁদ ঘিরে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্রিটিশ সামার টাইম (BST) অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে চাঁদ পূর্ণতার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। বাংলাদেশ থেকে সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে তাকালেই এই পূর্ণিমার চাঁদ দেখা যাওয়ার কথা।

কেন বলা হয় ‘হারভেস্ট মুন’?

শরৎ বিষুবের সবচেয়ে কাছাকাছি সময়ে যে পূর্ণিমা ঘটে, সেটিকেই বলা হয় ‘হারভেস্ট মুন’। বাংলায় এর অর্থ ‘ফসল তোলার চাঁদ’।

এই নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে কৃষিভিত্তিক প্রাচীন ইতিহাস। আধুনিক বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা না থাকায় অতীতে শরতের পূর্ণিমার উজ্জ্বল চাঁদের আলো কৃষকদের জন্য বাড়তি সময় কাজ করার সুযোগ করে দিত। সূর্যাস্তের পর দীর্ঘ সময় আলো থাকায় কৃষকেরা রাতে মাঠ থেকে ফসল ঘরে তুলতে পারতেন। সেখান থেকেই ‘হারভেস্ট মুন’ নামটির প্রচলন।

সাধারণত সেপ্টেম্বরেই এই পূর্ণিমা দেখা যায়। তবে শরৎ বিষুবের তারিখের ওপর নির্ভর করে কোনো কোনো বছর হারভেস্ট মুন অক্টোবরেও হতে পারে।

চাঁদকে বড় ও লালচে দেখায় কেন?

দিগন্তের কাছাকাছি চাঁদ উঠলে সেটিকে স্বাভাবিকের তুলনায় বড় ও উজ্জ্বল মনে হতে পারে। অনেক সময় চাঁদের রংও লালচে, কমলা বা সোনালি দেখায়।

এর পেছনে রয়েছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রভাব। দিগন্তের কাছে থাকা চাঁদের আলো আমাদের চোখে পৌঁছানোর আগে বায়ুমণ্ডলের তুলনামূলক পুরু স্তর অতিক্রম করে। এ সময় নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বিক্ষিপ্ত হয় এবং লাল ও কমলা আলোর অংশ তুলনামূলকভাবে বেশি চোখে পৌঁছায়। ফলে চাঁদকে লালচে বা সোনালি মনে হতে পারে।

চাঁদ যত ওপরে উঠতে থাকে, এই প্রভাবও ধীরে ধীরে কমে যায় এবং চাঁদ তার স্বাভাবিক রুপালি আভায় ফিরে আসে।

বাংলাদেশ থেকে কখন দেখা যাবে?

বাংলাদেশের আকাশপ্রেমীরা কোনো বিশেষ সরঞ্জাম ছাড়াই খালি চোখে হারভেস্ট মুন দেখতে পারবেন। সূর্যাস্তের পর পূর্ব আকাশে নজর রাখলেই চাঁদের দেখা মিলবে।

দিগন্ত পরিষ্কার এমন জায়গা থেকে দেখলে চাঁদ ওঠার সময় এর বড় ও লালচে-কমলা আভা আরও স্পষ্টভাবে চোখে পড়তে পারে। শহরের অতিরিক্ত আলো থেকে দূরে অপেক্ষাকৃত অন্ধকার স্থানে থাকলে দৃশ্যটি উপভোগ করা আরও সহজ হবে।

তাই শনিবার সন্ধ্যার পর আকাশ পরিষ্কার থাকলে পূর্ব দিগন্তে চোখ রাখলেই দেখা মিলতে পারে শরতের এই মনোমুগ্ধকর ‘হারভেস্ট মুন’-এর।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..