✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২৬, | ১৮:০৬:২৩ |ইয়েমেনের হুতিদের অব্যাহত হামলার মুখে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানরা বৈঠকে করেছেন। বৈঠকে তারা সম্মিলিত প্রতিরক্ষা এবং ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ অবিলম্বে বাস্তবায়নের বিষয়ে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে সামরিক প্রধানরা রিয়াদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বিদ্যমান হুমকিগুলো পর্যালোচনা করেন এবং মক্কা তথা সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার নিন্দা জানান। নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষা এবং রাজ্যের নিরাপত্তা রক্ষায় সৌদি সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের তারা প্রশংসা করেন।
এ সময় বৈঠকে তিন পক্ষ তাদের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করে; এর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বৃদ্ধি, সামরিক সমন্বয় এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা ও যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সক্ষমতার সমন্বয় সাধন। তারা সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের জনগণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও পারস্পরিক আস্থার বিষয়টির ওপরও আলোকপাত করেন।
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, রিয়াদের এই বৈঠক তাদের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের দৃঢ়তা এবং ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র আওতায় গৃহীত প্রতিশ্রুতিগুলোকে কার্যকর সামরিক সহযোগিতায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে তাদের অভিন্ন সংকল্পের প্রতিফলন। তারা যৌথ প্রতিরক্ষার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ বিষয়ে তাদের দৃঢ় সংকল্পের ওপর জোর দেন।
এদিকে একই দিনে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিন্স খালিদ লেখেন, আমরা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র আওতায় অনুষ্ঠিত সামরিক প্রধানদের বৈঠকের ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছি। পবিত্র নগরী মক্কা ও সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো জঘন্য হামলাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।
তিনি আরও বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী এসব হামলার মোকাবিলায় আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত করেছি।