✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

সুতা ও কাপড় আমদানিতে আগাম অনুমতির বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২২, | ০১:৪০:৫৯ |

আমদানি নীতি আদেশ (আইপিও) সংশোধনের মাধ্যমে রফতানিমুখী পোশাক প্রস্তুতকারকদের জন্য সুতা ও কাপড় আমদানিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আগাম অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে সরকার।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গতকাল একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর বেশ কয়েকটি বিধান সংশোধন করেছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

সংশোধিত নীতি অনুযায়ী, তৈরি পোশাকশিল্পের নির্দিষ্ট কিছু পণ্য— যেমন সিমেলেস স্পোর্টসওয়্যার, উচ্চমূল্যের ফ্যাশন আইটেম এবং কৃত্রিম তন্তুর তৈরি কার্যকরী পোশাক (ফাংশনাল অ্যাপারেল) উৎপাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট শিল্প সমিতির সুপারিশক্রমে বিশেষায়িত ফেব্রিক আমদানি করা যাবে।

এ ছাড়া, এই সংশোধনের ফলে নির্ধারিত টেক্সটাইল ও হোসিয়ারি পণ্যসমূহ নিশ্চিত এবং ফেরত-অযোগ্য রফতানি আদেশ বা চুক্তির ভিত্তিতে, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি বা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে আমদানি করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সরকার শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য যন্ত্রপাতি ও স্পেয়ার পার্টস (যন্ত্রাংশ) আমদানির বিধানও সহজ করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অনুমোদিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (আইআরসি) ছাড়াই নতুন শিল্প ইউনিট স্থাপনের জন্য ক্যাপিটাল মোটেরি বা মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি করতে পারবে।

পাশাপাশি, নিজস্ব কার্যক্রম ও উৎপাদনক্ষমতা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বা খুচরা যন্ত্রাংশও আমদানি করার সুযোগ পাবে।

এই সংশোধিত বিধানগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো— আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা এবং রফতানিমুখী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও সরঞ্জামাদির অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা।

আমদানি ও রফতানি (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ১৯৫০ এবং ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর প্রাসঙ্গিক বিধানাবলির অধীনে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..