✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-২১, | ১৪:৩২:২০ |কুমিল্লার দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও ভাতিজিকে আছড়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাধা দিতে এলে অভিযুক্ত তার ভাবিকেও কুপিয়ে আহত করেছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার সকাল ৮টায় উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইমন মিয়া (২৬) বড়শালঘর গ্রামের প্রয়াত ফরিদ মিয়ার ছেলে।
নিহতরা হলেন- ইমন মিয়ার মা ও প্রয়াত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৬৫)। অন্য নিহত ৮ মাস বয়সি ইসরাত জাহান সুজন মিয়ার মেয়ে।
আহত ভাবি রাবেয়া বেগমকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি ঘাতক ইমনের বড় ভাই সুজন মিয়ার স্ত্রী।
পুলিশ ইমন মিয়াকে (২৬) আটক করেছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি সুইসাইড করতে চাই, তারা সুইসাইড করতে দেয় না, তাই মেরে ফেলেছি।’
নিহত পিয়ারা বেগমের বড় ভাই মহেশপুর গ্রামের ফারুক জানান, তার ভাগিনা ইমন ৪-৫ বছর আগে ফুটবল খেলতে গিয়ে আহত হয়। এরই মধ্যে একাধিকবার তার পায়ের অপারেশন হয়েছে। গতকালও ৭০ হাজার টাকা খরচ করে অপারেশন শেষে বাড়ি আসে। তার পায়ের ব্যথার ইনজেকশনের রিঅ্যাকশন হতে পারে। প্রথমে সে তার বড় ভাই সুজন মিয়ার ৮ মাস বয়সি ঘুমন্ত ইসরাত জাহানকে তুলে এনে আছড়ে মেরে ফেলে। এ সময় তার মা পিয়ারা বেগম এগিয়ে এলে তাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। তার ভাবি রাবেয়া বেগম মাকে রক্ষা করতে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
সংবাদ পেয়ে দেবিদ্বার সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মো. শাহীন ও দেবীদ্বার থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
এএসপি মো. শাহীন জানান, ইমন মিয়া ৪-৫ বছর আগে ফুটবল খেলতে গিয়ে পা ভেঙে ফেলেন। এরই মধ্যে দুইবার পায়ের অপারেশন হয়েছে। গতকালও অপারেশন শেষে বাড়িতে আসে। পায়ের ব্যথার যন্ত্রণা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে খুনে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ইমনকে জনগণ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন, এ মুহূর্তে বেশি কিছু বলতে পারছি না।’