✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

এশিয়ান গেমসে তীব্র আবাসন সংকট

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৪, | ১৮:৫৪:১৪ |

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে জাপানের আইচি ও নাগোয়া শহরে বসছে এশিয়ান গেমসের ২০তম আসর। চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। যদিও এরই মধ্যে ফুটবল ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে। এবারের আসর শুরু হওয়ার আগে ঘুরেফিরে আবাসন সমস্যার বিষয়টি আলোচনায় স্থান পেয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা সেখানকার আবাসন ব্যবস্থাকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ’ বলে অভিহিত করেছেন। তারা ক্রীড়াবিদসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য পর্যাপ্ত কক্ষ নেই বলে দাবি করেছেন। আগের আসরগুলোর মতো এবার কোনো নির্দিষ্ট ‘অ্যাথলেটস ভিলেজ’ বা খেলোয়াড়দের আবাসন এলাকা নেই। খরচ কমাতে আয়োজকরা হোটেল, অস্থায়ী কাঠের কেবিন এবং একটি প্রমোদতরী (ক্রুজ শিপ) ব্যবহার করছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাস্কেটবল কর্মকর্তারা তাদের পুরুষ দলের জন্য ব্যবহৃত কেবিনগুলোর আকার ও মান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কোরিয়া বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জং জে-ইয়ং জানিয়েছেন, দুই মিটারের বেশি উচ্চতার খেলোয়াড়রা বিছানায় পা সোজা করে শুতে পারছেন না।

এএফপিকে তিনি বলেন, আমার অভিজ্ঞতায় আবাসন ব্যবস্থার এমন খারাপ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। দক্ষিণ কোরিয়ার আরেক ক্রীড়াবিদ বিয়ন জুন-হিয়ং নিজের থাকার কুঁড়েঘরের ভেতর দিয়ে পানি চুঁইয়ে পড়া বেসিন ও মেঝে ভিজে যাওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।

গেমস চলাকালীন প্রায় ২,০০০ ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তার এসব কেবিনে থাকার কথা রয়েছে। ভারতীয় ক্রীড়া কর্মকর্তারা তাদের ক্রীড়াবিদদের শিপিং কন্টেইনারে থাকার ব্যবস্থা করছেন, যাতে গেমসে পৌঁছানোর আগেই তারা এই ধরনের আবাসন ব্যবস্থার সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেন। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এবারের আসরের ১৫,০০০ জনের কথা থাকলেও, এখন ১৭,০০০-এরও বেশি ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তার সমাগম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার অলিম্পিক কমিটির এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, আইচি-নাগোয়া এলাকায় আবাসনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা আবাসনের জন্য ‘এয়ারবিএনবি’-র সহায়তা নিচ্ছেন। অন্যদিকে ইতালীয় প্রমোদতরি ‘কোস্টা সেরেনা’ মঙ্গলবার এসে পৌঁছাবে এবং এতে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ ক্রীড়াবিদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আবাসন সংক্রান্ত সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়েছে। গত সপ্তাহে বৃষ্টির জেরে শত শত ক্রীড়াবিদকে সাময়িকভাবে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছিল এবং সামনে আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..