✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১২, | ০০:৪৭:৪৭ |মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে নিজেদের নতুন মেগা বিমানবন্দর নির্মাণের বিশাল প্রকল্প থেকে পিছিয়ে আসছে না সংযুক্ত আরব আমিরাত। বরং ভবিষ্যৎ ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বাঁচতে বিমানবন্দরের বেশ কিছু অংশ মাটির নিচে তৈরির পরিকল্পনা করছে তারা।
দুবাই এয়ারপোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পল গ্রিফিথস জানিয়েছেন, জ্বালানি ট্যাংকের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনাগুলো মাটির নিচে রাখার কথা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা হচ্ছে। বিমানবন্দরটিকে আরও বেশি নিরাপদ ও টেকসই করতেই এই উদ্যোগ। তিনি জানান, বছরে ২৫ কোটি যাত্রী ধারণক্ষমতার এই বড় প্রকল্পটি কোনোভাবেই বাতিল বা ছোট করা হবে না।
নিরাপত্তার ভাবনাটি কেন এল? মূলত গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতের সময় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ওই সময় দুবাইয়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (ডিএক্সবি) খোলা জায়গায় থাকা একটি জ্বালানি ট্যাংকে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছিল। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় যাত্রীদের দ্রুত মাটির নিচে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ায় সে যাত্রায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়।
যাত্রী সংখ্যায় প্রভাব ও ঘুরে দাঁড়ানো : এই সংঘাতের কারণে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দুবাই বিমানবন্দরে যাত্রী চলাচল ব্যাপকভাবে কমে যায়। গত ফেব্রুয়ারিতে যেখানে প্রায় ৭৪ লাখ মানুষ যাতায়াত করেছিলেন, মার্চ মাসে তা এক ধাক্কায় কমে মাত্র ২৫ লাখে নেমে আসে।
তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হচ্ছে। জুলাই মাসে যাত্রী সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬৩ লাখে দাঁড়িয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী বছরের শুরুতেই তারা আগের অবস্থায় পুরোপুরি ফিরে যাবে এবং বিশ্বের শীর্ষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে নিজেদের অবস্থান আবারও ফিরে পাবে।