✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

যেভাবে সিলিকন ভ্যালির বিকল্প হয়ে উঠছে টরন্টো

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৫, | ০০:৫৯:১৫ |

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দুনিয়ায় এত দিন যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিকেই সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হিসেবে দেখা হতো। তবে কানাডার টরন্টো এখন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এআই হাবগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল, এনভিডিয়া, মেটা ও মাইক্রোসফটসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান শহরটিতে গবেষণাগার ও কার্যালয় খুলেছে।

এই পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে নোবেলজয়ী কম্পিউটার বিজ্ঞানী জিওফ্রে হিন্টনের। ১৯৮০-এর দশকে ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোতে মেশিন লার্নিং নিয়ে তাঁর গবেষণা আধুনিক এআই প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর হাত ধরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রজন্মের এআই গবেষক ও উদ্যোক্তা।

বাণিজ্যিক আবাসন প্রতিষ্ঠান সিবিআরইর এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রযুক্তি প্রতিভার বাজার হিসেবে টরন্টো এখন বিশ্বে তৃতীয়। এ ক্ষেত্রে নিউইয়র্কের চেয়েও এগিয়ে রয়েছে শহরটি। ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো এবং হিন্টনের সহপ্রতিষ্ঠিত ভেক্টর ইনস্টিটিউট এআই গবেষণার অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে।

শুধু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নয়, অন্যান্য খাতের কোম্পানিও টরন্টোর এআই সক্ষমতার দিকে ঝুঁকছে। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সানোফি চলতি বছর টরন্টোতে এআই সেন্টার অব এক্সিলেন্স সম্প্রসারণে প্রায় ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।

টরন্টোর উদ্যোক্তারা বলছেন, সিলিকন ভ্যালির তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় কিছুটা কম, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভালো এবং অভিবাসন নীতি তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ায় আন্তর্জাতিক প্রতিভা আকর্ষণ করা সহজ। নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ও শিকাগোর মতো বড় বাজারের কাছাকাছি অবস্থানও শহরটির বাড়তি সুবিধা।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিও এআই খাতকে এগিয়ে নিতে জাতীয় কৌশলের আওতায় গবেষণা, শিক্ষা ও প্রযুক্তি ব্যবহারে ২০০ কোটি ডলারের বেশি বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছেন।

টরন্টোভিত্তিক এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর সাফল্যও বাড়ছে। স্বয়ংক্রিয় ট্রাক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা ওয়াবি চলতি বছর এক বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ পেয়েছে, যা কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্থায়ন।

বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাদের মতে, সিলিকন ভ্যালির বাইরে থেকেও এআইয়ের বৈশ্বিক বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব। টরন্টোর উদাহরণটি তারই প্রমাণ।

সূত্র: সিএনএন

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..