✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

বন্যায় ধ্বংস নেপাল-চীনের ‘অল ওয়েদার’ বাণিজ্যপথ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-৩১, | ১১:৩৬:৪৪ |

ভয়াবহ বন্যায় নেপালের সঙ্গে চীনের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ রাসুয়া কেরুং কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি করিডরে ভয়াবহ বন্যায় রাসুয়াগাধি সীমান্ত চৌকি ও চীন নেপাল মৈত্রী সেতু ধ্বংস হয়। ফলে দেশটির প্রধান স্থলবাণিজ্যপথ দিয়ে চীনের সঙ্গে পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যায় নেপালে ৭৮৮ জন নিহত এবং ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। একই সঙ্গে রাসুয়াগাধি সীমান্ত এলাকার ব্যবসা বাণিজ্য ও যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রাসুয়া কেরুং পথটি ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে চালু হওয়ার পর বিশেষ করে ২০১৫ সালের ভূমিকম্পের পর নেপালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ হয়ে ওঠে। চীন থেকে পোশাক, ইলেকট্রনিকস, গাড়ি, যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য এই পথ দিয়ে কাঠমান্ডুতে পৌঁছাত।

এবারের বিপর্যয় নেপালের প্রধান উৎসব দশাইন ও তিহারের আগে ব্যবসায়ীদের নতুন দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর চীনের সঙ্গে নেপালের বাণিজ্যের ব্যস্ত সময়। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন রাসুয়াগাধি সীমান্ত দিয়ে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি পণ্যবাহী যান চলাচল করত।

বিকল্প হিসেবে তাতোপানি ও কোরালা সীমান্তপথ ব্যবহারের কথা ভাবছে নেপাল সরকার। তবে তাতোপানি পথও বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। কেরুং থেকে তাতোপানি দিয়ে পণ্য পাঠালে প্রায় ৫৫০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিতে হবে।

অন্যদিকে কোরালা সীমান্তে পর্যাপ্ত শুল্ক অবকাঠামো নেই এবং ভারী যান চলাচলের সক্ষমতাও সীমিত। শীতকালে সেখানে তীব্র তুষারপাতের কারণে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে।

নেপাল গত অর্থবছরে চীন থেকে ৪২৫ দশমিক ২৪ বিলিয়ন রুপির পণ্য আমদানি করেছে। একই সময়ে চীনে দেশটির রপ্তানি কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন রুপিতে। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যপথে এই বিপর্যয় নেপালের সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..