✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

চিকিৎসার কথা বলে ছেলেকে নিয়ে হত্যা, দিল্লিতে বাবাসহ গ্রেফতার ২

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-৩০, | ১১:১৫:২৮ |

চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার কথা বলে ৩৮ বছর বয়সী ছেলেকে একটি পরিত্যক্ত কনটেইনারে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ৬৪ বছর বয়সী বাবার বিরুদ্ধে। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির কালিন্দি কুঞ্জ এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা ও তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নিহতের নাম গুল হাসান। গ্রেপ্তার দুজন হলেন তার বাবা তালুকদার আনসারি ও আনসারির সহযোগী মোহাম্মদ ওয়াসিম ওরফে আকরাম। শুক্রবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটের দিকে কালিন্দি কুঞ্জ এলাকায় বাবলু কা কনটেইনার নামে পরিচিত একটি পরিত্যক্ত কনটেইনারের ভেতর অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায়। সেখান থেকে রক্তমাখা একটি পাথরও উদ্ধার করা হয়।

মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যার রহস্য উদঘাটনে কালিন্দি কুঞ্জ থানার পুলিশ, স্পেশাল স্টাফ, নারকোটিকস টিম এবং অ্যান্টি অটো থেফট স্কোয়াডের সদস্যদের নিয়ে চারটি দল গঠন করা হয়।

তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, গুল হাসান দুই ব্যক্তির সঙ্গে ওই পরিত্যক্ত কনটেইনারের দিকে গিয়েছিলেন। পরে গুল হাসানকে আর সেখান থেকে বের হতে দেখা যায়নি। ক্যামেরা থেকে ক্যামেরায় ফুটেজ অনুসরণ করে পুলিশ দুই সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করে।

পরে তাদের দিল্লির গোবিন্দপুরীর একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা জানিয়েছেন, গুল হাসানকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই নির্জন স্থানে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে ওয়াসিম তাকে পাথর দিয়ে আঘাত করেন এবং আনসারিও তাকে আঘাত করেন। পরে কাপড়ের বর্জ্য দিয়ে তৈরি রশি দিয়ে গুল হাসানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ কনটেইনারের ভেতর রেখে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গুল হাসান সিজোফ্রেনিয়াসহ বিভিন্ন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার মানসিক সমস্যার বিষয়টি সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ ও পুরো ঘটনা জানতে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পাথর, রক্তমাখা পোশাক এবং শ্বাসরোধে ব্যবহৃত কাপড়ের রশি উদ্ধার করা হয়েছে। ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত তথ্যের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাক্রম যাচাই এবং চূড়ান্ত চিকিৎসা প্রতিবেদন পাওয়ার কাজ চলছে।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, হিন্দুস্তান টাইমস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..