✕


এবার ইমরান খান ইস্যুতে সরব প্যাট কামিন্স

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৮, | ২০:২৭:৪৭ |

ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যমে সাক্ষাৎকার প্রচারের জেরে তোলপাড়ের মধ্যেই কারাবন্দী ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তিনি পাকিস্তানের সরকারের কাছে গ্রেগ চ্যাপেল ও অন্যান্য সাবেক অধিনায়কদের লেখা চিঠির বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছেন।

কামিন্স এক্সে দেওয়া পোস্টে লিখেছেন, গ্রেগ চ্যাপেল এবং অন্যান্য সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়কদের দাবির সঙ্গে আমিও একাত্মতা প্রকাশ করছি। আমি আশা করি, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী চিকিৎসা সংক্রান্ত মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইমরান খানের সাক্ষাতের সুযোগ অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, আমি চাই ইমরান খানের সঙ্গে এমন আচরণ করা হোক যা একজন মানুষের প্রাপ্য মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ‘দ্য গ্রেড ক্রিকেটার’ পডকাস্টে চ্যাপেল বলেন, তিনি তিন বছর ধরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছেন। এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, এমন কাউকে আমি চিনি না। ইমরান মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, কিন্তু সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার সঙ্গে কীভাবে মানিয়ে নিতে হয়, তা কারো জানা নেই। তাকে বই পড়ার অনুমতি দেওয়া হয় না।

কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার আরও বলেন, তাকে কেবল চুপচাপ বসে থাকতে হয়, সংযত আচরণ করতে হয় এবং দিনের বেশিরভাগ সময় অন্ধকারে কাটাতে হয়। ৭৮ বছর বয়সী চ্যাপেল আরও বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য এটি মোটেও ভালো নয়। এতে মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটতে পারে এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

গ্রেগ ছয় বছর আগে পাকিস্তানে ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তখনও তিনি বেশ বলিষ্ঠ ও শক্তিশালী ছিলেন, যদিও বয়স কিছুটা বেড়েছিল। কিন্তু এখন আর সেই অবস্থা নেই। আমরা আমাদের সাবেক অধিনায়কদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। শুরুতে ১৪ জন চিঠি লিখেছিলেন, এখন সেই সংখ্যা আরও বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার কেপলার ওয়েসেলস এবং মাইকেল গ্যাটিং এরা দুজন দ্বিতীয় চিঠিতে সমর্থন জানিয়েছেন। মূল উদ্দেশ্য হলো বিষয়টি মানুষের নজরে রাখা; এটি কোনো রাজনৈতিক পদক্ষেপ নয়, কাউকে এমন পরিস্থিতিতে আটকে রাখা উচিত নয়।

এদিকে লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনে ইমরান খানের দুই ছেলে সুলেইমান খান ও কাশিম খানের বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রচার করেছে ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম স্কাই স্পোর্টস। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পিসিবি বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি এবং লর্ডস টেস্ট চলাকালীন তারা এর প্রতিবাদ জানানোর পরিকল্পনা করেছিল।

সাক্ষাৎকারটি প্রচারের আগে এটি ঠেকাতে স্কাই স্পোর্টসের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল পিসিবি। এমনকি সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করা হলে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা লাঞ্চের পর মাঠে না ফেরার হুমকি দিয়েছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত পিসিবির আপত্তি উপেক্ষা করে পুরো সাক্ষাৎকারটি বিশ্বজুড়ে প্রচার করে স্কাই স্পোর্টস।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..