✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মিসাইল বানানোর গোপন ফর্মুলা কেন বেসরকারি খাতকে দিচ্ছে ভারত?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৭, | ১৪:২০:৩৮ |

নিজেদের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং দীর্ঘদিনের সরকারি একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ভারত। দেশটির সরকার তাদের সবচেয়ে গোপনীয় ও সংবেদনশীল খাতের অন্যতম ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে তুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও)-র প্রস্তুত করা সমস্ত সনাতন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রযুক্তি ভারতের স্থানীয় বেসরকারি প্রতিরক্ষা শিল্পে হস্তান্তরের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় কারিগরি যোগ্যতা, সনদ এবং নিয়ন্ত্রক শর্তাবলি পূরণ করে এসব প্রযুক্তির মালিকানা ও উৎপাদন অধিকারের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গবেষণা ও উন্নয়ন পর্যায় থেকে দ্রুত বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন নিশ্চিত করা, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য তৈরি হওয়া বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে আনা।

সরকারি ঘোষণায় কি আছে? 

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, রাজনাথ সিং ডিআরডিও কর্তৃক উদ্ভাবিত সনাতন বা সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সমস্ত প্রযুক্তি স্থানীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাবটিতে সায় দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের মতে, এর মূল লক্ষ্য হলো দেশে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তিকে মজবুত করা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে ভারতের ক্ষুদ্র, মাঝারি ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ (এমএসএমই) এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত অংশীদারদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা।

এই সিদ্ধান্তের পরিধি কেবল সাধারণ কোনো সরঞ্জামে সীমাবদ্ধ নয়। বেঙ্গালুরুভিত্তিক তক্ষশীলা ইনস্টিটিউটের গবেষণা ফেলো আদিত্য রমানাথনের মতে, এই ঘোষণার আওতায় ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, অ্যান্টি-রেডিয়েশন ক্ষেপণাস্ত্র এবং ট্যাংকভেদী ব্যবস্থার পাশাপাশি ল্যান্ড-অ্যাটাক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো ভারি ও জটিল যুদ্ধ সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কেন ভারত এই পদক্ষেপ নিচ্ছে?

ভারত দীর্ঘদিন ধরে তাদের গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও-র তৈরি করা দূরপাল্লার ও আধুনিক অস্ত্রগুলোকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে এসেছে। ভারত ডায়নামিক্সের মতো সরকারি সংস্থাগুলো এতদিন দেশের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে প্রায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল। আদিত্য রমানাথনের মতে, ভারতের মঙ্গলবারের এই সিদ্ধান্তটি সেই দীর্ঘদিনের একচেটিয়া ক্ষমতার অবসান ঘটিয়েছে। বেসরকারি খাত বহু বছর ধরে ক্ষেপণাস্ত্রের আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ তৈরি করে আসলেও এই প্রথমবার তারা পুরো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মূল উৎপাদক হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বাধীন ‘আত্মনির্ভর ভারত’ নীতির অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা খাতে নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদেশি প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোকে ভারতে উৎপাদনে উৎসাহিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির দ্রুত পরিবর্তন এবং দুই প্রতিবেশী সীমান্তভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ভারত তার প্রতিরক্ষা বাজেট বহুগুণ বাড়িয়েছে। ২০১৪ সালের ৩৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়িয়ে চলতি অর্থবছরে ৮৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা হয়েছে।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বড় ধরনের সীমান্ত সঙ্ঘাতের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান সময়ের দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের কৌশল ভারতকে অস্ত্রাগারের সক্ষমতা বাড়াতে বাধ্য করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ বা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মতো সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করে ভারতীয় নীতিনির্ধারকেরা অনুধাবন করেছেন যে, আধুনিক যুদ্ধে দ্রুত অস্ত্র ও গোলাবারুদ শেষ হয়ে যায়। ফলে বড় ধরনের সংঘাত সামাল দিতে বিশাল সামরিক মজুত প্রয়োজন, যা কেবল সরকারি কারখানার মাধ্যমে দ্রুত সরবরাহ করা সম্ভব নয়। চীনকে সফলভাবে প্রতিহত করতে হলে ভারতের জন্য এমন একটি বিশাল অস্ত্রাগার থাকা জরুরি এবং বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া তা অর্জন করা অসম্ভব।

ভারতের প্রতিরক্ষা খাত ইতোমধ্যে কী তৈরি করছে?

ভারতের বেসরকারি প্রতিরক্ষা শিল্প ইদানিং অভূতপূর্ব গতিতে প্রসারিত হচ্ছে। এর আগে ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য দেশীয় প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের সামরিক ড্রোন কেনার প্রক্রিয়া শুরু করার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমানে আদানি, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো এবং টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসের মতো দেশটির শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী থেকে শুরু করে শত শত স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ড্রোন ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম এবং কামিকাজে ড্রোনসহ প্রায় ৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

ভারত একই সাথে তার নৌবাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে অন্তত ৭৫টি নতুন জাহাজ ও সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যার সিংহভাগই দেশের ভেতরে নির্মিত হবে। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভারত রাশিয়ার ওপর বহু বছরের একমুখী সামরিক নির্ভরতা কমিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইসরায়েলের মতো দেশগুলোর সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক পুনর্গঠন করছে।

বেসরকারি খাতের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা

গত কয়েক বছরে ভারতের বড় বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলো সামরিক উৎপাদনে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ শুরু করেছে। বিশেষ করে আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস উত্তর প্রদেশে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সুবিশাল কারখানা তৈরির জন্য ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরক ও নিখুঁত অস্ত্রের উপাদান তৈরি করা সম্ভব হবে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, কেবল ইচ্ছা বা প্রাথমিক বিনিয়োগ থাকলেই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি সম্ভব নয়। আদিত্য রমানাথনের মতে, নীতিটি সফল হবে কি না তা নির্ভর করবে ভারত সরকার কীভাবে এবং কী পরিমাণে ক্রয়াদেশ দিচ্ছে তার ওপর। ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল কাজ। বেসরকারি কোম্পানিগুলো অবকাঠামো ও গবেষণায় বিশাল অঙ্কের অর্থ তখনই বিনিয়োগ করবে, যখন তারা সরকারের কাছ থেকে নিশ্চিত ও লাভজনক বড় আকারের অর্ডারের আশ্বাস পাবে।

ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার

ভারতের অস্ত্রাগারে ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক উভয় ধরনের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রেরই বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে, যার অনেকগুলোই পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। ভারতের তৈরি দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র 'অগ্নি-৫' ৫ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, যা সমগ্র চীন, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের কিছু অংশকে কাভার করে। এছাড়া স্বল্প পাল্লার 'পৃথিবী-১' থেকে শুরু করে ৪ হাজার কিলোমিটার পাল্লার 'অগ্নি-৪' ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের প্রতিরক্ষা বহরকে শক্তিশালী করেছে। রাশিয়ার সাথে যৌথভাবে তৈরি করা সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র 'ব্রহ্মোস'-ও ভারতের প্রধান সামরিক শক্তির অন্যতম স্তম্ভ।

ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্র রপ্তানি

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত তার সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানিতে রেকর্ড তৈরি করেছে। ২০১৪-১৫ সালে যেখানে ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ছিল মাত্র ৭২ মিলিয়ন ডলার, সেখানে অতি সম্প্রতি তা ৪ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছেছে। স্থানীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো কেবল অভ্যন্তরীণ চাহিদাই মেটাচ্ছে না, বরং আন্তর্জাতিক বাজারেও বড় ভূমিকা রাখছে। যেমন আদানি ডিফেন্স ইসরায়েলের এলবিট সিস্টেমসের সাথে যৌথভাবে আর্মড ড্রোন তৈরি করছে।

অস্ত্র ও যন্ত্রাংশ ছাড়া ভারত এখন আস্ত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা রপ্তানি শুরু করেছে। ফিলিপাইন ইতোমধ্যেই ভারতের কাছ থেকে তিন ব্যাটারি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনেছে। এছাড়া ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়াও এই ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এবং সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতেও এটি সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পদক্ষেপ

ভারত সরকার যে একটি বৃহৎ ও সুসংগঠিত প্রতিরক্ষা-শিল্প কাঠাম গড়ে তুলতে চাইছে, সরকারের সাম্প্রতিক নীতিমালায় তার স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি ভারত সরকার ইতোমধ্যেই দেশের পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস এবং ভারত ফোর্জের মতো বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে প্রাথমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স তৈরি হতে ভারতের এখনও অনেক দেরি রয়েছে; কারণ ভারতে প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত চূড়ান্ত ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ এখনো পুরোপুরি সরকারের হাতেই কেন্দ্রীভূত।

ভারতের সামরিক আমদানি

প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়লেও ভারত এখনও বিশ্বমঞ্চে অন্যতম শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ হিসেবে রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা সিপ্রির (SIPRI) তথ্য অনুযায়ী, ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ। যদিও ভারত তার আমদানিতে বৈচিত্র্য আনছে, তবুও দেশটির মোট সামরিক আমদানির প্রায় ৪০ শতাংশ এখনও আসছে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ রাশিয়া থেকে।

বেসরকারি খাতে সংবেদনশীল প্রযুক্তি হস্তান্তরের ঝুঁকি

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সময় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের বড় বড় প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের সার্ভারে হ্যাকারদের হামলার ঘটনা বেসরকারি খাতের নিরাপত্তা দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে আসে। তবে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। কারণ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চুক্তিগুলো যে সমস্ত বড় বেসরকারি সংস্থাকে দেওয়া হবে, তারা বহু বছর ধরে কোনো না কোনোভাবে প্রতিরক্ষা খাতের সংবেদনশীল কাজ পরিচালনা করে আসছে এবং তাদের মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া ভারত সরকার আন্তর্জাতিক ‘মিসাইল টেকনোলজি কন্ট্রোল রেজিম’-এর নিয়মকানুন মেনে চলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

আল জাজিরার বিশ্লেষণ

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..