✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

ভূমিধসে তৈরি নতুন হ্রদে জমেছে ২০ লাখ ঘনমিটার পানি, সামনে আরও বড় বিপদ নেপালে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৭, | ১৪:১৩:০৮ |

ভূমিধসের ক্ষত শুকানোর আগেই নেপাল সীমান্তে দেখা দিয়েছে নতুন বিপদের আশঙ্কা। চীনের কঠিনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত গিরং কাউন্টিতে ভূমিধসে তৈরি হয়েছে নতুন একটি হ্রদ। ধসে পড়া মাটি দিয়ে তৈরি অস্থিতিশীল বাঁধে আটকে থাকা পানি ক্রমেই বাড়ছে। এতে হ্রদটির বাঁধ ভেঙে নতুন করে বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, গিরং কাউন্টিতে এখনো ভূমিধস, কাদাধস ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি রয়েছে। এর মধ্যে আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

সিসিটিভিতে সম্প্রচারিত সর্বশেষ ড্রোনের ফুটেজে দেখা গেছে, আগের একটি ভূমিধসে তৈরি ক্ষতচিহ্নের মধ্যে পানি জমে নতুন একটি হ্রদ তৈরি হয়েছে। হ্রদটি গিরং বন্দরের কাছে হলেও নেপালের অংশে অবস্থিত বলে জানিয়েছে সম্প্রচারমাধ্যমটি।

সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, নতুন তৈরি হওয়া হ্রদটিতে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি রয়েছে। পানি ইতোমধ্যে উপচে পড়তেও শুরু করেছে। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি হ্রদটিতে প্রবেশ করতে পারে। এতে পানির চাপ বেড়ে হ্রদটির বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি পরবর্তী উদ্ধার তৎপরতার জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছে সিসিটিভি।

নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কায় চীনা সামরিক বাহিনীর স্থানীয় কমান্ডের কয়েকটি ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় সিসিটিভিকে দেওয়া বক্তব্যে স্থানীয় কমান্ডের সদস্য চেন শি জানান, ভূমিধসের ঝুঁকির কারণে কয়েকটি ইউনিট একটি কমান্ড সেন্টারে প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে।

চেন শি বলেন, আশপাশের পাহাড়ের ঢাল যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। কারণ সড়কটি খাড়া পাহাড়ের পাশ দিয়ে গেছে। একই সঙ্গে নতুন করে কাদাধসের ঝুঁকিও রয়েছে।

চীনা কর্তৃপক্ষের নজর এখন মূলত ভূমিধসে তৈরি হওয়া নতুন হ্রদটির দিকে। সেখানে পানির পরিমাণ দ্রুত বাড়তে থাকায় সম্ভাব্য বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

সূত্র: সিএনএন

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..