✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৯, | ১১:০৭:১১ |বিশ্বকাপের অংশীদারত্ব ইস্যুতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের করা সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন। এতে এশীয় ফুটবলের অভ্যন্তরে বিভাজন আরও গভীর হলো।
বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বেসরকারি বিনিয়োগ আনার পরিকল্পনা গ্রহণ এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকেই ইনফান্তিনো তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। গত সপ্তাহে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন(এএফসি)-সহ তিনটি কনফেডারেশনের পাঠানো এক যৌথ চিঠির জেরে এই পরিকল্পনার বিষয়ে ইনফান্তিনো চরম বিরোধীতার মুখে পড়েন। ওই চিঠিতে ঘোষণা করা হয়েছিল, ফুটবল কোনো ব্যক্তির একক সম্পত্তি নয়।
বিশ্বকাপের স্বত্ব বা অংশীদারিত্ব বিক্রির ব্যর্থ পরিকল্পনার অনেকে ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হামাদ বিন খলিফা আল-থানির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যৌথ বিবৃতি প্রকাশের আগে তার বা কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (কিউএফএ) সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
কাতার ফুটবল প্রধান ব্যাখ্যা দাবি করেছেন, কোনো পরামর্শ করা হয়নি এবং কোন ভিত্তিতে এএফসি কাতারসহ তাদের ৪৭টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে কথা বলতে পারে। এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা এখন পাল্টা জবাবে নিজের এখতিয়ার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, এএফসি-র সংবিধানে আমাকে যে আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যেই তিনি কাজ করেছেন।
এই কর্মকর্তা আরও বলেন, যৌথ বিবৃতিতে আমার অংশগ্রহণ আমার এখতিয়ারের বাইরে ছিল, এমন কোনো ইঙ্গিত বা এএফসি-র এতে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল এসব আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। তিনি আরও বলেন, এএফসি এশিয়ায় ফুটবলের অভিভাবক এবং এই খেলার স্বার্থ ও মূল্যবোধ রক্ষা করা সভাপতির দায়িত্ব। যৌথ বিবৃতি প্রকাশের মতো পরিস্থিতিতে নীরব থাকাটা সেই দায়িত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতো।
ইনফান্তিনোর সেই বিক্রয় পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল এএফসি, কনকাকাফ ও উয়েফা। পরিকল্পনাটি বাতিল হওয়ার পরেও তারা তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। গত সপ্তাহে পাঠানো চিঠিতে কনফেডারেশনগুলো দাবি করে, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে যেখানে জবাবদিহিতা থাকা উচিত সেখানে নীরবতা বিরাজ করছে এবং যেখানে স্বচ্ছতা থাকা উচিত সেখানে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ইনফান্তিনো সভাপতি হিসেবে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি মরক্কোতে ডাকা এক জরুরি বৈঠকে ফিফার জ্যেষ্ঠ পরিচালকদের কাছ থেকে ‘পূর্ণ সমর্থন’ লাভ করেছেন।